1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  3. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  4. [email protected] : M. A Hannan : M. A Hannan
  5. [email protected] : Al Galib : Al Galib
  6. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  7. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  8. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  9. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  10. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  11. [email protected] : @nexttech :
শিক্ষক থেকে মাস্ক বিক্রেতা! | সময়ের খবর
শুক্রবার, ০৬ অগাস্ট ২০২১, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন

শিক্ষক থেকে মাস্ক বিক্রেতা!

এম.এ হান্নান, বাউফল:
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০২১

 

 

কাজী মো. আবু তাহের ( ৩৫)। পেশায় ছিলেন একজন শিক্ষক। করোনায় আর্থিক টানাপোড়নে মাস্ক নিয়ে রাস্তায় বের হয়েছেন তিনি। বৃদ্ধ মা-বাবা, স্ত্রী ও সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিতে হাটে-বাজারে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করছেন মাস্ক। ওই মাস্ক বিক্রির টাকা চলছে পাঁচ সদস্যের সংসার।

রোববার দুপুরে বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে হেটে হেটে পথচারী ও দোকানিদের কাছে মাস্ক বিক্রি করার এমন দৃশ্য চোখে পড়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই শিক্ষক পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের গছানী গ্রামের কাজী মোজ্জামেল হকের ছেলে। গত ২০০৯ সাল থেকে দশমিনা উত্তর লক্ষীপুর গাজী বাড়ি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় জুনিয়র মৌলভী পদে শিক্ষকতা করছেন। তবে পাচ্ছেন না বেতন ভাতা। দশমিনা বাজারে চায়ের দোকানের উপার্জনের টাকায় চলত সংসার। উপার্জনের একমাত্র উপয় ওই চায়ের দোকান করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান ​লকডাউনে বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েন তিনি। উপয়ান্তর না পেয়ে হাটে-বাজারে মাস্ক বিক্রির পথ বেছে নেন তিনি। মাস্ক বিক্রির টাকায় টেনেটুনে চলছে সংসার।

শিক্ষক আবু তাহের জানায়,‘ ঢাকা থেকে পাইকারি মূল্যে মাস্ক কিনে আনে তিনি। বক্স প্রতি মাস্ক বিক্রি করেন ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়। প্রতি বক্সে ১০থেকে ২০ টাকা লাভ হয়। দৈনিক প্রায় ৩০-৪০বক্স মাস্ক বিক্রি হয়। তবে ঢাকা থেকে মাস্ক আনতে বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে তাঁর। যোগাযোগ বন্ধ থাকায় ক্রয় মূল্য বেশি পড়ছেন। অনেক সময় হতে হচ্ছে প্রতারণার শিকার। টাকা নিয়ে ঢাকা থেকে মাস্ক না পাটিয়ে উল্টো ফোন বন্ধ করে রাখছেন প্রতারক চক্র।

শিক্ষক কাজী আবু তাহের বার্তা বাজারকে বলেন,‘ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছি প্রায় ১২বছর। সরকার বেতন না দেওয়ায় চায়ের দোকান করে সংসার চালাচ্ছিলাম। লকডাউনে তাও বন্ধ। সংসারে মা-বাবা, স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। ছোট বাচ্চার বয়স দুই বছর। এদের মুখে খাবার তুলে দিতে পাড়ছিলাম না। বাধ্য হয়ে পায়ে হেটে হেটে দশমিনা ও বাউফল উপজেলার বিভিন্ন হাটে বাজারে মাস্ক বিক্রি করছি। যা উপার্জন হয় তা দিয়ে কোন মতে সংসার চলছে।

তিনি আরও বলেন,‘ গত বছর সরকারি প্রণোদনার জন্য তালিকা দিয়েছি। পাইনি। এবারও দিয়েছি। পাবো কিনা জানি না।

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
১,৩২২,৬৫৪
সুস্থ
১,১৫৬,৯৪৩
মৃত্যু
২১,৯০২
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
১২,৭৪৪
সুস্থ
১৫,৭৮৬
মৃত্যু
২৬৪
স্পন্সর: Next Tech
স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: Next Tech
Translate »