1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  3. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  4. [email protected] : M. A Hannan : M. A Hannan
  5. [email protected] : Al Galib : Al Galib
  6. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  7. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  8. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  9. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  10. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  11. [email protected] : @nexttech :
কোপার শিরোপা জিতল মেসির আর্জেন্টিনা | সময়ের খবর
শুক্রবার, ০৬ অগাস্ট ২০২১, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন

কোপার শিরোপা জিতল মেসির আর্জেন্টিনা

খেলাধুলা ডেস্ক:
  • আপডেট: রবিবার, ১১ জুলাই, ২০২১

 

কোপা আমেরিকার ফাইনালে কষ্টার্জিত জয়ে নেইমারের ব্রাজিলকে কাঁদিয়ে দীর্ঘ ২৮ বছর পর কোপার শিরোপা জিতল মেসির আর্জেন্টিনা। শেষ বাঁশি বাজতেই আর্জেন্টিনা ফেটে পড়ল বিজয়োল্লাসে।

রবিবার (১১ জুলাই) এস্তাদিও দো মারাকানায় বাংলাদেশ সময় সকাল ৬ টায় ফাইনালে মুখোমুখি হয় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল।

আনহেল ডি মারিয়ার একমাত্র গোলে ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকার শিরোপা ঘরে তুলেছে আলবিসেলেস্তেরা। সেই সঙ্গে কোপায় সবচেয়ে বেশি (১৫টি) শিরোপা জেতার রেকর্ডে উরুগুয়ের সঙ্গী হলো আর্জেন্টিনা। সেই সঙ্গে কোপায় সবচেয়ে বেশি (১৫টি) শিরোপা জেতার রেকর্ডে উরুগুয়ের সঙ্গী হলো আর্জেন্টিনা।

সেই ২৮ বছর আগে সর্বশেষ শিরোপাটা উঠেছিল আর্জেন্টিনার ঘরে। এরপর থেকে বছর আসে বছর যায়, আর্জেন্টিনার ট্রফিকেস পড়ে থাকে শূন্য। সে শূন্যতা কাটানোর মাহেন্দ্রক্ষণ অবশেষে হাজির। চলতি শতাব্দিতে প্রথম শিরোপা, যেটা আলবিসেলেস্তেদের সোনালি প্রজন্ম করে দেখাতে পারেনি সেটাই করলো লিওনেল স্ক্যালোনির প্রায় আনকোরা দলটা। আর্জেন্টিনার তো আজ আনন্দে-উল্লাসে ফেটে পড়ারই কথা!

কোপা আমেরিকায় এটি আর্জেন্টিনার ১৫ তম শিরোপা। শিরোপাসংখ্যায় এখন যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছে আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে। এই জয়ের মধ্যদিয়ে লিওনেল মেসির শিরোপা-খড়ার অবসান হলো। এবার নিজ দেশ আর্জেন্টিনার হয়ে ট্রফি জিতলেন ক্লাব পর্যায়ের সব কিছু জেতা লিওনেল মেসি।

ম্যাচের ২১ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে রদ্রিগো ডি পলের করা লম্বা বল ডান প্রান্তে থাকা রেনান লোডিকে বিট করে চলে যায় ডি মারিয়ার কাছে। এরপর সামনে থাকা গোলরক্ষক এডারসনকে দারুণ এক চিপে বোকা বানিয়ে গোলটি করেন মারিয়া। আর্জেন্টিনা পেয়ে যায় মহামূল্য, পরম আরাধ্য সে গোল। যার অপেক্ষায় দলটা থেকেছে প্রায় ১৬ বছর। ২০০৫ সালের কনফেডারেশন্স কাপের ফাইনালে গোলের পর থেকে যে আর গোলের দেখা পায়নি আকাশী সাদারা!

২১ মিনিটে ডি মারিয়ার সে গোল আর্জেন্টিনাকে ধাতস্থ করেছে ম্যাচে, দিয়েছে স্নায়ু ধরে রাখার সঞ্জীবনী সুধা। বেশ কিছু আক্রমণেও উঠেছে বিরতির আগে। তাতেও মেলেনি সফলতা। তবে ক্ষতিও হয়নি খুব একটা, ডি মারিয়ার গোলে পাওয়া লিডটা যে ছিল অক্ষত!

ডি মারিয়ার সেই একমাত্র গোলেই ১-০ গোলে প্রথমার্ধ শেষ করে আর্জেন্টিনা।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমেই একের পর এক জোরাল আক্রমণ করতে থাকে ব্রাজিল। যার সুবাদে ম্যাচের ৫২ মিনিটেই পেয়ে যায় গোলের দুর্দান্ত সুযোগ। ডি-বক্সের মধ্য থেকে সেটি কাজেও লাগিয়েছিলেন রিচার্লিসন। কিন্তু আক্রমণের শুরুতে তিনি অফসাইডে থাকায় বাতিল করা হয় গোল। ফলে ম্যাচের ৫৩ মিনিট শেষেও ১-০ গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।

৫৪ মিনিটের মাথায় পারেদেসকে তুলে নিয়ে রডরিগেজকে মাঠে নামায় আর্জেন্টিনা। ৫৫ মিনিটের মাথায় রিচার্লিসনের আক্রমণ প্রতিহত করেন আর্জেন্টিনা গোলকিপার মার্টিনেজ। ৬৩ মিনিটে লো সেলসোকে তুলে নিয়ে ট্যাগলিয়াফিকোকে মাঠে নামায় আর্জেন্টিনা।

৬৩ মিনিটে এভার্টনকে তুলে নিয়ে ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে মাঠে নামায় ব্রাজিল। ৬৮ মিনিটের মাথায় হলুদ কার্ড দেখেন আর্জেন্তিনার ডি’পল। ৭০ মিনিটের মাথায় ডি’পলকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন ব্রাজিলের রেনান লোদি। ৭১ মিনিটে পাকুয়েতার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ম্যাচ। ৭২ মিনিটের মাথায় ট্যাগলিয়াফিকোকে ফাউল করার জন্য রেফারি হলুদ কার্ড দেখান ব্রাজিলের পাকুয়েতাকে। ৭৬ মিনিটে রেনান লোদি ও পাকুয়েতাকে তুলে নিয়ে ব্রাজিল মাঠে নামায় এমার্সন ও বারবোসাকে।

৭৯ মিনিটে একসঙ্গে তিনজন পরিবর্ত ফুটবলারকে মাঠে নামায় আর্জেন্টিনা। রোমেরো, ডি মারিয়া ও এল মার্টিনেজকে তুলে নিয়ে আর্জেন্টিনা মাঠে নামায় পেজেল্লা, পালাসিয়স ও গঞ্জালেজকে। ৮১ মিনিটের মাথায় হলুদ কার্জ দেখেন আর্জেন্টিনার ওতামেন্দি। ওতামেন্দির চ্যালেঞ্জের পর আগ্রাসী আচরণের জন্য ৮২ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন ব্রাজিলের মারকিনহোস। ৮৫ মিনিটের মাথায় নেইমারের কর্ণার কিক থেকে হেডে আর্জেন্টিনার জালে বল জড়ানোর চেষ্টা করেন থিয়াগো সিলভা। তবে তার হেডার ক্রসবারের উপর দিয়ে মাঠের বাইরে চলে যায়। ৮৯ মিনিটের মাথায় হলুদ কার্ড দেখেন আর্জেন্টিনার মন্তিয়েল। তার আগে ৮৭ মিনিটের মাথায় বারবোসার শট প্রতিহত করেন আর্জেন্টিনা গোলকিপার মার্টিনেজ।

৮৯ মিনিটের মাথায় গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন মেসি। ৬ গজ দূরত্ব থেকে ব্রাজিলের গোলকিপারকে পরাস্ত করলেই আর্জেন্টিনা লিড বাড়িয়ে নিতে পারত। সুযোগ নষ্ট করেন মেসি। দ্বিতীয়ার্ধে ৫ মিনিট সময় সংযোজিত হয়। ৯০+৩ মিনিটে ডি’পলের আক্রমণ প্রতিহত করেন এডারসন। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শেষে ডি মারিয়ার একমাত্র গোলে জয়ী আর্জেন্টিনা।

এর আগে কোপা আমেরিকার ফাইনালে ডি মারিয়ার একমাত্র গোলের সুবাদে প্রথমার্ধের খেলা শেষে এগিয়ে থাকার স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
১,৩২২,৬৫৪
সুস্থ
১,১৫৬,৯৪৩
মৃত্যু
২১,৯০২
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
১২,৭৪৪
সুস্থ
১৫,৭৮৬
মৃত্যু
২৬৪
স্পন্সর: Next Tech
স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: Next Tech
Translate »