1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  3. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  4. [email protected] : M. A Hannan : M. A Hannan
  5. [email protected] : Al Galib : Al Galib
  6. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  7. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  8. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  9. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  10. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  11. [email protected] : @nexttech :
জাককানইবিতে শিক্ষক হীড়ক মুশফিকের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ | সময়ের খবর
শুক্রবার, ০৬ অগাস্ট ২০২১, ১২:৪১ পূর্বাহ্ন

জাককানইবিতে শিক্ষক হীড়ক মুশফিকের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

Reporter Name
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই, ২০২১

 

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের অস্থায়ী প্রভাষক মুশফিকুর রহমান (হীড়ক মুশফিক) এর নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে।২০১৮ সালে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ফলাফল কম থাকায় বিশেষ যোগ্যতায় ২০১৮ সালে নিয়োগ পেয়েছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষার্থী।

২০১৮ সালের ২৩মে অধ্যাপক পদের বিপরীতে প্রভাষক পদে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশেষ যোগ্যতা সম্পন্ন আবেদনকারীর ক্ষেত্রে একাডেমিক ফলাফলের যেকোন একটির আংশিক শিথিল করা যেতে পারে। বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে পরীক্ষায় বসতে পেরেছিলো ১৫ অধিক পরীক্ষার্থী, যার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টির চাকরি প্রত্যাশী ৩ জন সাবেক শিক্ষার্থীও ছিলেন।

নিয়োগ পরীক্ষায় আবেদন করা ব্যক্তিদের মধ্যে মুশফিকুর রহমানের একাডেমিক সিজিপিএ ছিলো বিজ্ঞপ্তিতে চাওয়া সিজিপিএ ৩.৫০ (৪.০০) থেকে কম ৩.২৫ (৪.০০)। কিন্তু আবেদনে বিশেষ যোগ্যতা হিসেবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জনশিক্ষা নামক একটি ত্রৈমাসিক পত্রিকায় আর্টিকেল প্রকাশিত হবে দেখিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্যে সুপারিশ করে ২০১৮ সালের নাট্যকলা বিভাগের প্ল্যানিং কমিটি, যা আবেদন জমার শেষ তারিখের মধ্যে প্রকাশিত হয়নি।

সম্প্রতি একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সৈয়দ মামুন রেজা ৭টি অভিযোগ এনে মুশফিকুর রহমানের (হীড়ক মুশফিক) বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর অভিযোগ করে।

অভিযোগ রয়েছে যে, সেই সময়কার বিভাগটির প্রধান ইসমত আরা ভূঁইয়া ইলার ইচ্ছাতেই কম সিজিপিএ থাকা সত্ত্বেও বিশেষ যোগ্যতা দেখিয়ে পরীক্ষায় বসার সুযোগ পায় মুশফিকুর রহমান।আর সেই প্ল্যানিং কমিটির সদস্যরাও তাতে সম্মতি দিয়েছিলেন। সেসময়ের প্ল্যানিং কমিটির সদস্যদের মধ্যে ছিলেন বিভাগের প্রধান হিসেবে ইসমত আরা ভূইয়া ইলা, বিভাগের অন্য দুই শিক্ষক আল জাবির এবং নীলা সাহা।

পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন এবং মৌখিক পরীক্ষায় এক্সপার্ট শিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুশফিকুর রহমানের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. শাবিন শাহরিয়ার। এই শিক্ষক ইসমত আরা ভূইয়া ইলা এবং আল জাবির দুজনেরও শিক্ষক।

তবে নিয়োগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. এস এম ফারুক হোসাইনের প্রভাব রয়েছে বলেও জানিয়েছেন বিভাগটির এক শিক্ষক। নিয়োগ পরীক্ষায় ভালো সিজিপিএ থাকা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি প্রত্যাশী সাবেক শিক্ষার্থীর কেউই পাশ করতে পারেনি। পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে এক্সপার্ট ও সেই সময়ের বিভাগ প্রধান ইসমত আরা ভূঁইয়া ইলা ভালো সিজিপিএ ধারীদের ফেল করিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষকের।

প্রক্রিয়াধীন নাট্যকলা বিভাগের আরেকটি নিয়োগে মুশফিকুর রহমানের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু সাঈফ মন্ডলের নিয়োগ প্রাপ্তির জন্যেও তদবির করার অভিযোগও রয়েছে মুশফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে। যেখানে বিভাগের সাবেক ও বর্তমান বিভাগীয় প্রধান আল জাবিরের নামও রয়েছে সহযোগিতায়।অভিযোগ রয়েছে পরীক্ষা দিতে আসা সাঈফ মন্ডল কে নিজ উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমেটরিতে থাকারও ব্যবস্থা করে ছিলেন তিনি।

তবে এই অভিযোগ তিনজনই অস্বীকার করেছেন। বিজ্ঞপ্তি হওয়া এবারের নিয়োগ বোর্ডে এক্সপার্ট হিসেবে থাকার কথা রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. এস এম ফারুক হোসাইনের। মুশফিকুর রহমানকে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পাইয়ে দেবার ঘটনায় এই শিক্ষকের প্রভাব থাকার কথাও উঠে এসেছে।

মুশফিকুর রহমানকে নিয়োগ এবং ছুটি প্রাপ্তি বিষয়ে কলা অনুষদ ডিন অধ্যাপক ড. আহমেদুল বারী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কিছুই যে প্রশাসন, মানে উপাচার্য করেন তা কিন্তু নয়। এরকম ছুটি স্বাভাবিক ভাবে পেতে পারেন না কেউ। তবে একটি শক্তিশালী কমিটি আছে প্রত্যেক বিভাগে। যেটিকে বলা হয় প্ল্যানিং কমিটি। বিভাগের সেই কমিটিই শিক্ষক সংকটের কথা বলে নতুন নিয়োগ চেয়ে চিঠি দেয় প্রশাসনকে আর সেটি প্রশাসন বাস্তবায়ন করে।আবার তারাই যদি চিঠি দিয়ে তাকে ছুটি দিতে চায় নিয়মের বাইরে গিয়ে সেখানে প্রশাসনের কিছুই করার নেই। প্রশাসন চায় বিভাগগুলো ভালো চলুক। আর আর্টিকেল এবং সেই প্রকাশনা মানসম্পন্ন কিনা তা যাচাই করে আইনের মধ্যে থেকে কাজ করা উচিত। সেই সময়ে আমি ছিলাম না তাই এই বিষয়ে সেই বিভাগ বলতে পারবে তাদের কাছে কি মনে হয়েছে।”

ছুটি প্রাপ্তি নিয়ে সহকারি রেজিস্ট্রার (আইন) মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেছেন,”সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী অস্থায়ী এবং স্থায়ী কোন ভাবেই নিয়োগের প্রথম বছরে শিক্ষা ছুটি নিতে পারে না।”

তার বিরুদ্ধে প্রকাশ হওয়া বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে মুশফিকুর রহমান বলেন,”আমি আলাদা করে কিছু বলতে চাই না। প্রশাসন আমাকে নিয়োগ দিয়েছে তারাই বলতে পারবে সব কিছু। আমি নিয়ম মেনেই সকল কিছু করেছি।”

৭টি অভিযোগ এনে একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সৈয়দ মামুন রেজা বলেন,”অনিয়মের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছিলো বিভাগে তাই অভিযোগ করেছি।আরো আগেই অভিযোগ করার দরকার ছিলো কিন্তু সকল তথ্য সংগ্রহ করতে সময় লাগায় বিলম্ব হয়েছে। আমি অভিযোগ জানিয়েছি প্রশাসন তদন্ত করে প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানাই।যেহেতু এখনো তার নিয়োগ অস্থায়ী তাই স্থায়ী ভাবে যোগ্য কাওকে নিয়োগ প্রদান করা হোক।”

এমন অভিযোগ এবং ছুটি ও নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার(ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ড. হুমায়ুন কবীর বলেন,”আমরা অভিযোগ পেয়েছি। এটি প্রথমে আমরা বিশ্লেষণ করে দেখবো ঠিক আছে কিনা। যদি আমরা প্রাথমিক ভাবে না পারি তখন কমিটি করে দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। আর ২০১২ সালের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটির আইন অনুযায়ী মুশফিকুর রহমান ছুটি পেতে পারেন না তবে বিভাগের চাওয়ার কারনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেটিকে আটকায় নি।”

অন্যদিকে অভিযোগকারী শিক্ষক ড. সৈয়দ মামুন রেজার বিরুদ্ধেও বিভাগটির এক শিক্ষক বলেছেন,”তিনিও কিন্ত কম সিজিপিএ নিয়ে বিভাগের শিক্ষক হয়েছেন, উনিই কিভাবে অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে?”

প্রসঙ্গত, মুশফিকুর রহমান রাজনৈতিক ক্ষমতার ব্যবহার করে অস্থায়ী অবস্থাতেই দায়িত্ব পেয়েছেন অগ্নিবীণা হলের হাউজ টিউটর পদে। যদিও রাজনৈতিক ভাবে পাওয়ার ঘটনাটি তিনি অস্বীকার করেছেন।

 

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
১,৩২২,৬৫৪
সুস্থ
১,১৫৬,৯৪৩
মৃত্যু
২১,৯০২
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
১২,৭৪৪
সুস্থ
১৫,৭৮৬
মৃত্যু
২৬৪
স্পন্সর: Next Tech
স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: Next Tech
Translate »