1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Saiful Islam Shyam : Saiful Islam Shyam
  3. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  4. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  5. [email protected] : JM Amin Hossain : JM Amin Hossain
  6. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  7. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  8. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  9. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  10. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  11. [email protected] : amsitbd :
মেঘ বিদ্যুতের লুকোচুরি খেলায় অতিষ্ঠ জনজীবন | সময়ের খবর
বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন

মেঘ বিদ্যুতের লুকোচুরি খেলায় অতিষ্ঠ জনজীবন

এম.এ হান্নান,বাউফল প্রতিনিধি
  • আপডেট: বুধবার, ৯ জুন, ২০২১

বাউফলের আকাশে মেঘ উঠলেই বিদ্যুৎ উধাও হয়ে যায়। এরপর কখন বিদ্যুৎ আসবে সে খবর নিয়েও অফিসের কর্তা ব্যাক্তিদের চলে লুকোচুরি খেলা। কেউ বলেন অপেক্ষা করুন, কেউ বলেন গ্রীড বন্ধ আবার কেউ বলেন সাবষ্টেশনে কাজ চলছে একটু পরেই পাবেন ইত্যাদি ইত্যাদি। জৈষ্ঠ্যের আম-কাঠাল পাকা প্রচন্ড গরমের মধ্যে বাউফলে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জনমনে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৮ থেকে ১০ বার বিদ্যুৎ আসা যাওয়া করায় বিনষ্ট হচ্ছে টেলিভিশন, ফ্যান এবং ফ্রিজসহ ইলেট্রনিক মালামালের। নিদারুন কষ্ট সহ্য করে হাসপতালের বিছানায় ছটফট করছে রোগীরা। বাউফলে মেঘ বিদ্যুতের এই লুকোচুরি খেলা এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।

 

 

 

বাউফল পল্লী বিদ্যুতের আওতায় তিন হাজার কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন রয়েছে। গ্রাহক সংখ্যা রয়েছে এক লাখ দশ হাজারেরও বেশি। পটুয়াখালী থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার গ্রীড লাইন টেনে বাউফলের গোসিংগা সাবষ্টেশনে সংযুক্ত হয়ে ১১ টি ফিডারের মাধ্যমে বাউফলের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। কিন্তু গ্রীড এবং ফিডারের তার প্রায়শ:ই ছিঁড়ে, ইনসুয়েলেটর পুড়ে এবং বাতাসে বিদ্যুৎ লাইনের ওপর গাছ পড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে। এছাড়াও রয়েছে সাবষ্টেশনে টেকনিক্যাল সমস্যা। সাবষ্টেশনের ট্রান্সমিটার প্রায়ই অকেজো হয়ে পড়ে। বার বার এগুলোর সমাধানের চেষ্টা করা হলেও অদৃশ্য কারণে কয়েক দিন পর পরই একই ধরণের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এরফলে বাউফলের লক্ষাধিক গ্রাহক দারুন ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে। গ্রাহকরা জানান, বিগত কয়েক বছরের মধ্যে বর্তমান সময়েই সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটছে।

 

 

 

 

২৪ ঘন্টায় ৮ থেকে ১০ বার বিদ্যুতের আসা-যাওয়ায় নষ্ট হচ্ছে ঘরের ইলেকট্রনিক আসবাবপত্র। শিক্ষার্থীরা অনলাইন ক্লাস করতে পারছে না। হাসপাতালের রোগিরা গরমে ছটফট করছে। অফিস আদালতের নিত্যনৈমিত্তিক কাজে বিঘœ ঘটছে। গ্রাম-গঞ্জের সাধারন মানুষ বাউফল সদরে এসে বিদ্যুতের জন্য তাদের কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে মিল কারখানায়ও সৃষ্টি হচ্ছে নানা ধরণের জটিলতা। বিদ্যুৎ সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিতে বাউফলের ডিজিএম কিংবা অন্যান্য কর্মকর্তাদের কাছে ফোন করলে খুব কম গ্রাহকই তাদের সাথে কথা বলার সুযোগ পান। ফোন ধরলেও ধৈর্য্য ধরেন, এই পাবেন, এই দিচ্ছি ইত্যাদি নানা ধরণের কথা বলে মোবাইল ফোন কেটে দেন। এরফলে সাধারন গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। বাউফলবাসীর কাছ এযেন এক অসহনীয় জ্বালায় পরিণত হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন যথেষ্ট পরিমাণ থাকলেও বাউফলে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবারহ করতে পল্লী বিদ্যুতের অপারগতায় সাধারন মানুষের কাছে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। পল্লী বিদ্যুতের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায়ই হোক বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটিয়ে সরকারের দুর্নাম করার পায়তারা করছে বলেও কেউ কেউ মনে করছেন।

 

 

 

সকল অভিযোগ অস্বীকার করে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল ম্যানেজার(জিএম) মো. রাজ্জাকুর রহমান বলেন, আমরা নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে রাত দিন কাজ করে যাচ্ছি। মূলত: এ অঞ্চলে গাছপালা বেশি। শতভাগ বিদ্যুতায়ণের কাজ করতে গিয়ে গ্রাম-গঞ্জে গাছপালার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ লাইন টানতে হয়েছে। অতিবৃষ্টিতে লাইনের ওপর গাছ উপড়ে পড়লে সেগুলো অপসারণ করে লাইন সজল করতে একটু সময় লাগে। তাছাড়া বজ্রবৃষ্টির সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এছাড়া সারা বছরই মেরামতির কিছু কাজ থাকে। এগুলো থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে আন্ডারগ্রাউন্ড সঞ্চালণ লাইন দরকার। সেটা করা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। এছাড়া আমাদের কিছু জনবল এবং পরিবহন সংকট রয়েছে। এই অবস্থার মধ্যেই আমরা বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। বাউফলের ডেপুটি জোনাল ম্যানেজার সোহরাব হোসেন জানান, আমরা সকলেরই ফোন ধরার চেষ্টা করি। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর মেরামতির কাজ শেষ করে কখন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাবে এটা সঠিকভাবে বলা মুশকিল।

 

 

 

সাধারন গ্রাহকরা জানান, পল্লী বিদ্যুতের লাইনতো কয়েক যুগ ধরেই চলছে এমন ধরণের বিদ্যুৎ বিভ্রাট আগে কখনো দেখিনি। এমতাবস্থায় দ্রুত আপগ্রেডেশন করে বাউফলে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য গ্রাহকরা জোর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৮৩৭,২৪৭
সুস্থ
৭৭৩,৭৫২
মৃত্যু
১৩,২৮২
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
স্পন্সর: Next Tech
স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: Next Tech
Translate »