1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Saiful Islam Shyam : Saiful Islam Shyam
  3. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  4. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  5. [email protected] : JM Amin Hossain : JM Amin Hossain
  6. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  7. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  8. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  9. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  10. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  11. [email protected] : amsitbd :
পৌরশহরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত : দুর্ভোগে দু’সহস্রাধিক মানুষ | সময়ের খবর
বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ০২:৫২ অপরাহ্ন

* ঘূর্নিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার জো’এর প্রভাব *
পৌরশহরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত : দুর্ভোগে দু’সহস্রাধিক মানুষ
হায়াতুজ্জামান মিরাজ, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি।
  • আপডেট: বুধবার, ২৬ মে, ২০২১

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার জো’এর প্রভাবে জোয়ারের পানিতে ভেরীবাধ ভেঙ্গে ও উপচে পড়ে বরগুনা আমতলী পৌর শহর এবং উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের হাট- বাজারসহ নিম্নাঞ্চলের কয়েকটি গ্রাম তলিয়ে গেছে। চরম দুর্ভোগে দু’সহস্রাধিক  মানুষ। পৌর শহরে মাঝে মধ্যে বিদুৎতের দেখা মিললেও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামাঞ্চলে দু’দিন ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

জানাগেছে, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের (হিন্দু) পঞ্জিকানুযায়ী গতকাল (মঙ্গলবার) রাত ৮টা ১০ মিনিটে পূর্ণিমা শুরু হয়ে আজ (বুধবার) বিকেল ৫টা ৪২ মিনিট পর্যন্ত থাকবে। ইহা বৌদ্ধ পূর্নিমা নামে পরিচিত। পূর্ণিমা তিথিতে চাঁদের আর্কষণে পৃথিবীতে পানি বেড়ে যায়।

অপরদিকে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে থেমে বৃষ্টি ও সেই সঙ্গে দমকা হাওয়া বইছে। গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে ও আজ (বুধবার) সকালের জোয়ারে পানিতে ভেরীবাঁধ ভেঙ্গে ও উপচে আমতলী পৌরশহর ও বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের গ্রামে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে পৌর শহরের পুরান বাজার, কাটা গাছ বাজার, ফেরীঘাট, শশ্মানঘাট, আমুয়ারচর, লঞ্চঘাট, নয়াভেঙ্গলী, লোচা এবং উপজেলার গাজীপুর বন্দর, কুকুয়াহাট, গুলিশাখালী, নাইয়াপাড়া, খেকুয়ানী, কলাগাছিয়া, বালিয়াতলী, পশুরবুনিয়া, পূজাখোলাসহ (ইসলামপুর) গ্রামের নিম্নাঞ্চলের ঘর-বাড়ী প্লাবিত হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও ওই এলাকায় বসবাসরত প্রায় দুই দু’সহস্রাধিক সাধারণ মানুষেরা।

আমতলী উপজেলার পশ্চিম দিকে প্রমত্ত্বা পায়রা (বুড়িশ্বর) নদী ও দক্ষিনে বঙ্গোপসাগর। এ পায়রা নদীর কোলঘেষে পৌরসভা এবং আড়পাঙ্গাশিয়া, আমতলী সদর, চাওড়া ও গুলিশাখালী ইউনিয়নের অবস্থান। আজ সকালে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে পায়রা নদীর পানি বিপদসীমার ৬২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। আমতলী- পুরাকাটা ফেরীঘাটের সংযোগ সড়কসহ গ্যংওয়ে তলিয়ে এবং সংযোগ সড়কে একটি কাভার্টভ্যান পানিতে আটকে সকাল থেকে ৪ ঘন্টা বরগুনা জেলা শহরের সাথে ফেরী চলাচল বন্ধ ছিলো।

এদিকে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ৫.২২ কিলোমিটার বেড়িবাধ ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ওই ভেরীবাঁধগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হলেও অর্থাভাবে বাঁধগুলো সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। এজন্য ওইসব এলাকার মানুষের মনে আতংক বিরাজ করছে। এরই মধ্যে আজ সকালে কলাগাছিয়া গ্রামের ১৬ হাওলা খালের স্লুইজ ও ভেরীবাঁধ ভেঙ্গে ওই গ্রামের প্রায় ৫০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

ইউপি সদস্য মোঃ শানু মিয়া বলেন, আমার ওয়ার্ডের ১৬ হাওলা খালের স্লুইজ ও ভেরীবাঁধ ভেঙ্গে প্রায় ৫০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং ভেরীবাঁধের বাহিরে থাকা ৩টি বসত ঘর পানিতে তোরে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।

আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের বালিয়াতলী গ্রামের মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, মাত্র ৫০০ ফুটের একটি ভেরীবাঁধের নির্মিত হলে বালিয়াতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ ও ৪০টি পরিবার পানিবন্দির হাত থেকে রক্ষা পেত।

গাজীপুর বন্দরের ব্যবসায়ী আব্দুল বাতেন দেওয়ান বলেন, আজ সকালের জোয়ারের পানিতে বন্দরটি তলিয়ে যায়। এতে সকাল থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত বন্দরের সকল দোকানপাট বন্ধ ছিলো। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আর কতকাল অপেক্ষা করতে হবে আমাদের শহর রক্ষা বাঁধের জন্য।

আমতলী পৌর শহরের পুরান বাজারের প্লাস্টিক ও ক্রোকারিজ ব্যবসায়ী মোঃ মাসুম বলেন, গতকাল রাতে ও আজ সকালে পায়রা নদীর জোয়ারের পানিতে আমাদের প্রায় ২ শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তলিয়ে গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, গতকাল রাতে ও আজ সকালে পায়রা (বুড়িশ্বর) নদীর পানি বিপদসীমার ৪০ ও ৬২ সেন্টিমিটার উপড় দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়ছার আলম মুঠোফোনে বলেন, আমতলী উপজেলার ২/১ স্পটে ভেরীবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার সংবাদ পেয়েছি। দ্রুত বাঁধগুলো মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার জো’এর প্রভাবে উপজেলার ভেরীবাঁধের বাহিরে ও নি¤œাঞ্চলের প্রায় ২ হাজার কাঁচা বাড়ীঘর পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থতের তালিকা তৈরী করে তাদের সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।

 

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৮৩৭,২৪৭
সুস্থ
৭৭৩,৭৫২
মৃত্যু
১৩,২৮২
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
স্পন্সর: Next Tech
স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: Next Tech
Translate »