1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  3. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  4. [email protected] : JM Amin Hossain : JM Amin Hossain
  5. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  6. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  7. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  8. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  9. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  10. [email protected] : amsitbd :
আমতলীতে ডায়েরিয়া পরিস্থিতি প্রকট আকার ধারন করেছে, স্যালাইন শূন্য হয়ে পরেছে দোকানগুলো | সময়ের খবর
সোমবার, ১০ মে ২০২১, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দুমকিতে বজ্রপাতে প্রান গেল অটোরিক্সা চালকের চরফ্যাসনে বোনের দোকান ঘর দখলে মরিয়া বড় ভাই পিরোজপুরের কাউখালীতে কৃষক কৃষানি প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত আমতলীতে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের মারধোর আহত -৪ প্রবাসীর স্ত্রীকে মেরে বিষ খাইয়ে হত্যা চেষ্টা অভিযোগ! খাজুরায় রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্দেগে ডায়রিয়ার স্যালাইন বিতরন। সাপাহারে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ  নাগরপুরে খাল ভরাট করে রাস্তা নির্মা‌ণের কথা ব‌লে সরকা‌রি জলাশয় কে‌টে মা‌টি বি‌ক্রি, নেপ‌থ্যে ইউ‌পি সদস‌্য  দশমিনায় ওসির উদ্দেশ্যে তরুণীর ভিডিও বার্তা অপহরণ মামলা তুলে নিতে আত্নহত্যার হুমকি পাওয়ানা টাকা চাওয়ায় দশমিনায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম

আমতলীতে ডায়েরিয়া পরিস্থিতি প্রকট আকার ধারন করেছে, স্যালাইন শূন্য হয়ে পরেছে দোকানগুলো

  আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১

 

বরগুনার আমতলী উপজেলায় ডায়েরিয়া পরিস্থিতি প্রকট আকার ধারন করেছে। গত ১ মাসে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সহা¯্রাধিক ডায়েরিয়া আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিলেও বেসরকারী হিসেবে এর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুনেরও বেশী। বাদ যাচ্ছেনা শিশু কিশোর, যুবক যুবতী বৃদ্ধরাও। কলেরা স্যালাইনের ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্তে¡ও উপজেলার কোন ঔষধের দোকানে কলেরা স্যালাইন পাওয়া যাচ্ছেনা। স্যালাইন না পাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পরেছে উপজেলার ডায়েরিয়া আক্রান্ত রোগী ও তার স্বজনরা। ঔষধ কোম্পানীগুলো কলেরা স্যালাইন সরবরাহ না করায় উপজেলাব্যাপী স্যালাইন শুন্য হয়ে পরেছে বলে দাবী ঔষধ ব্যবসায়ীদের।

 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানাগেছে, গত ১ মাসে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ হাজার ৪৬ জন ডায়েরিয়া আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। যদিও বে-সরকারী হিসেবে এর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুনেরও বেশী। প্রতিদিন গড়ে ৫০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছেন। আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুর পর্যন্ত ৪৭ জন ডায়েরিয়া আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।হাসপাতালে পর্যাপ্ত বেট না থাকায় অনেকে ফ্লোরে মাদুর ও বিছানার চাদর পেতে রোগীর চিকিৎসা করাচ্ছেন।

 

এপ্রিলের প্রথম দিকে উপজেলায় মহামারি আকারে ডায়েরিয়া ছড়িয়ে পড়ে। শুরুর দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ রোগীদের কলেরা স্যালাইন সরবরাহ করে আসছে। হাসপাতালে ডায়েরিয়া আক্রান্ত রোগীদের চাপ দেখে কর্তৃপক্ষ ৬ হাজার কলেরা স্যালাইন মজুদ করে। গত এক মাসে সাড়ে ৫ হাজার স্যালাইন শেষ হয়েছে বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

 

অপরদিকে ডায়েরিয়া পরিস্থিতি প্রকট আকার ধারন করা ও দিন দিন রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় কলেরা স্যালাইনের প্রচুর চাহিদা তৈরী হয়। কিন্তু বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানীগুলো চাহিদার তুলনায় কম স্যালাইন সরবরাহ করায় বাজারে স্যালাইন সংকট দেখা দিয়েছে বলে ঔষধ ব্যবসায়ীরা দাবী করেন। এতে গত শনিবার থেকে আজ (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত উপজেলার শহরের কোন ঔষধের দোকানে কলেরা স্যালাইন পাওয়া যাচ্ছিল না।

 

রোগীর স্বজনদের অভিযোগ হাসপাতাল থেকে রোগীদের চাহিদামত কলেরা স্যালাইন সরবরাহ করা হচ্ছে না। বাধ্যহয়ে বাহিরের ফার্মেসী থেকে স্যালাইন কিনতে হচ্ছে। অথচ হাসপাতালের সামনের সকল ঔষধের দোকান ঘুরেও একটি স্যালাইন তারা পাচ্ছেন না। কোম্পানীগুলো চাহিদামত কলেরা স্যালাইন সরবরাহ না করায় বাজার শুন্য হয়ে পড়েছে স্যালাইন।

 

আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনেসহ পৌরশহরের বিভিন্নস্থানের ঔষধের দোকানগুলো ঘুরে দেখাগেছে, কোন দোকানেই কলেরা স্যালাইনের সরবরাহ নেই। ঔষধ কোম্পানীর স্থাণীয় প্রতিনিধিরা দাবী করেন প্রয়োজনীয় কাঁচামাল না থাকায় চাহিদামত স্যালাইন উৎপাদন করা যাচ্ছে না। এ কারনে উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাজারে স্যালাইন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। দ্রæত এ সংকট কেঁটে যাবে।

 

হাসপাতালে ভর্তি রোগীর স্বজন ইব্রাহিম ও আঃ সত্তার বলেন, হাসপাতাল থেকে যে স্যালাইন দিয়েছে তা প্রায় শেষ হয়ে আসছে। রোগীর অবস্থাও তেমন ভালো না। শুনেছি আমতলীর কোন ফার্মেসীতে কলেরা স্যালাইন পাওয়া যাচ্ছে না। কি করবো বুঝতে পারছিনা।

 

অপর রোগীর স্বজন হাফিজা বেগম ও চানবুরু জানায়, আমতলী শহরের অধিকাংশ ঔষধের দোকান ঘুরেও একটিও কলেরা স্যালাইন পাইনি।

 

বেক্সিমকো ঔষধ কোম্পাণীর স্থাণীয় প্রতিনিধি মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রয়োজনীয় কাঁচামাল না থাকায় চাহিদামত স্যালাইন উৎপাদন করা যাচ্ছে না। তাই উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাজারে স্যালাইন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। আশাকরি ২/১ দিনের মধ্যে এ সংকট কেঁটে যাবে।

 

তালুকদার মেডিকেল হলের মালিক মোঃ শাহিন তালুকদার বলেন, বাজারে কলেরা স্যালাইনের সরবরাহ নেই। কোম্পানীগুলোর প্রতিনিধিরা তাদের ফোন বন্ধ করে রেখেছে।

 

রহমান মেডিকেল হলের মালিক মোঃ আবদুস সোবাহান বলেন, আমতলীর কোন ঔষধের দোকানে গত ৪ দিন ধরে কলেরা স্যালাইনের সরবরাহ নেই। প্রতিদিন রোগীর স্বজনরা এসে স্যালাইন না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

 

বেক্সিমকো ঔষধ কোম্পাণীর স্থাণীয় প্রতিনিধি মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রয়োজনীয় কাঁচামাল না থাকায় চাহিদামত স্যালাইন উৎপাদন করা যাচ্ছে না। তাই উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাজারে স্যালাইন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। আশাকরি ২/১ দিনের মধ্যে এ সংকট কেঁটে যাবে।

 

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আবদুল মুনায়েম সাদ মুঠোফোনে বলেন, প্রতিদিন গড়ে ৫০জন ডায়েরিয়া আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হচ্ছেন। রোগীর চাপ দেখে চলতি মাসের শুরুতে ৬ হাজার কলেরা স্যালাইন সংগ্রহ করেছি। গত এক মাসে সাড়ে ৫ হাজার স্যালাইন খরচ হয়েছে। অল্পকিছু স্যালাইন হাতে জমা আছে। আরো ১ হাজার স্যালাইনের চাহিদা চাওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, সরকারী স্যালাইনের পাশাপাশি ফার্মেসী থেকে কোম্পানীর স্যালাইন সংগ্রহ করার জন্য রোগীর স্বজনদের বলা হচ্ছে। শুনেছি বাজারেও স্যালাইন শূণ্য হয়ে পড়েছে। আশাকরি দ্রæত এ সংকট দূর হবে।

 

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৭৭৩,৫১৩
সুস্থ
৭১০,১৬২
মৃত্যু
১১,৯৩৪
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
১,৩৮৬
সুস্থ
৩,৩২৯
মৃত্যু
৫৬
স্পন্সর: Next Tech
স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: Next Tech
Translate »