1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  3. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  4. [email protected] : JM Amin Hossain : JM Amin Hossain
  5. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  6. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  7. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  8. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  9. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  10. [email protected] : amsitbd :
সদরঘাটে সুনসার নীরবতা: হকার-শ্রমিকদের মাথায় হাত | সময়ের খবর
সোমবার, ১০ মে ২০২১, ০২:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দুমকিতে বজ্রপাতে প্রান গেল অটোরিক্সা চালকের চরফ্যাসনে বোনের দোকান ঘর দখলে মরিয়া বড় ভাই পিরোজপুরের কাউখালীতে কৃষক কৃষানি প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত আমতলীতে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের মারধোর আহত -৪ প্রবাসীর স্ত্রীকে মেরে বিষ খাইয়ে হত্যা চেষ্টা অভিযোগ! খাজুরায় রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্দেগে ডায়রিয়ার স্যালাইন বিতরন। সাপাহারে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ  নাগরপুরে খাল ভরাট করে রাস্তা নির্মা‌ণের কথা ব‌লে সরকা‌রি জলাশয় কে‌টে মা‌টি বি‌ক্রি, নেপ‌থ্যে ইউ‌পি সদস‌্য  দশমিনায় ওসির উদ্দেশ্যে তরুণীর ভিডিও বার্তা অপহরণ মামলা তুলে নিতে আত্নহত্যার হুমকি পাওয়ানা টাকা চাওয়ায় দশমিনায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম

সদরঘাটে সুনসার নীরবতা: হকার-শ্রমিকদের মাথায় হাত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট: বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১

 

সদরঘাটে নানা আকারের বিলাসবহুল লঞ্চ সাইরেন বাজিয়ে ঘাটে ভিড়ত ভোররাত থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত । কোনোটি আবার সাইরেন বাজিয়ে গন্তব্যে ছুটত। দক্ষিণাঞ্চলের সব জেলা এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কিছু জেলার নৌপথে ভ্রমণপ্রিয় মানুষ ছুটে আসতেন ঢাকার সদরঘাটের এই নৌবন্দরে। ফলে উৎসব-পার্বণ ছাড়াও এখানে সবসময় থাকত মানুষের কোলাহল। কিন্তু মহামারি করোনা রুখতে চলমান লকডাউন বদলে দিয়েছে সেই চিরচেনা চেহারা। সদরঘাটে ঢুকলে যে কেউ আঁতকে উঠবেন। কারণ স্বাভাবিক অবস্থায় সদরঘাটে এমন সুনসার নীরবতা কেউ কল্পনাও করতে পারে না।

গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া সর্বাত্মক লকডাউনে বদলে গেছে সদরঘাটের চেহারা। থমকে গেছে এখানকার হকার-শ্রমিক থেকে শুরু করে ছিন্নমূল মানুষের আয়ের পথ। ফলে খেয়ে না খেয়ে কোনোভাবে জীবন চলছে তাদের।

ঘুরে দেখা গেছে, মূল পল্টুন পশ্চিম প্রান্ত থেকে শুরু করে পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত পুরোপুরি ফাঁকা।

এই ঘাট থেকে প্রতিদিন যেসব লঞ্চ বিভিন্ন রুটে চলাচল করত সেগুলো রাখা হয়েছে শ্যামবাজার থেকে শুরু করে পোস্তগোলার দিকে। অনেক লঞ্চ আশপাশের ডকইয়ার্ডে তুলে রাখা হয়েছে। কোনোটার মেরামতের কাজ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে পশ্চিম দিকে বাদামতলী এলাকায় বেশ কিছু ছোট লঞ্চ নোঙর করে রাখতে দেখা গেছে।

বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লকডাউন শুরুর পর থেকে সারাদেশে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। সরকারের নতুন নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। ফলে সদরঘাটে বহিরাগতদের প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

সদরঘাট এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নৌপথের সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশ ও নৌপুলিশকে বেশ তৎপর দেখা গেছে। কিছুক্ষণ পরপর নৌপুলিশকে নিজস্ব বাহনে করে বুড়িগঙ্গায় টহল দিতেও দেখা গেছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, সদরঘাটে প্রবেশের টিকেট কাউন্টারগুলো সব বন্ধ। এমনকি ভেতরে প্রবেশের সব লোহার গেট তালাবদ্ধ রেখে পুলিশ ফাঁড়ির সামনের গেটটি শুধু খোলা রয়েছে। সেখানেও একজন আনসার সদস্যকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

ভেতরে যাওয়ার পর দেখা গেল, মূল পল্টুনের পূর্ব-পশ্চিম সবদিক পুরোটা ফাঁকা । পল্টুনের সঙ্গে একটি ইঞ্জিনবাহী নৌকা ও বিআইডব্লিইটিএর একটি মাঝারিমানের জাহাজ নোঙর করে রাখতে দেখা গেছে।

তিন নম্বর পল্টুন থেকে পূর্বদিকে তাকিয়ে দেখা গেছে, গ্লোরি অফ রাসেল, অ্যাডভেঞ্চার-৯ সহ বেশ কিছু লঞ্চ সারিবদ্ধভাবে নোঙর করা।

সদরঘাট থেকে জিঞ্জিরার দিকে দেখা গেছে, অনেকগুলো লঞ্চ ডকইয়ার্ডে নোঙর করা। এই প্রান্তের লঞ্চ শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সারা বছর চলাচল করার কারণে অনেক সময় সামান্য ত্রুটি মেরামত করা হয় না। ফলে লকডাউনের সময় এবং ঈদকে সামনে রেখে অনেকেই লঞ্চ মেরামত করে নিচ্ছেন। ফলে ডকইয়ার্ডগুলোতে কাজের চাপ বেড়েছে।

পল্টুনে দায়িত্ব পালন করা বিআইডব্লিউটিএর একজন কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা সিডিউল অনুযায়ী ঘাটে ডিউটি করি। যাতে লোকজন না আসতে পারে। কোনো ধরনের সমস্যা যাতে না হয়। মাঝে মধ্যে কর্মকর্তারা এসে পরিস্থিতি দেখে যান।

লঞ্চে মালামাল পরিবহনের জন্য যেসব শ্রমিকের হাঁকডাকে কাঁপত গোটা সদরঘাট তাদেরও তেমন একটা দেখা মেলেনি। ঘাটের আশপাশে বসে বসে আড্ডা দিতে দেখা গেছে অনেককে।

আর ছিন্নমূল মানুষদের বেশি দেখা গেছে বাদামতলীর ঘাটের দিকে। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে এসব মানুষকে মাঝেমধ্যে খাবার পরিবেশন করা হয় বলে এই দিকে বেশি ভিড় তাদের।

ঘাটে শ্রমিকের কাজ করা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘লঞ্চ চললে প্রতিদিন সর্দারদের দেয়ার পরও ভালো ইনকাম ছিল। এখন সব বন্ধ। অনেকের অন্য কোথাও যাওয়ারও সুযোগ নেই। তাই ঘাট বন্ধ থাকলেও আশপাশেই সবাই থাকতেছি।’

সামনের দিনের পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে এই শ্রমিকের ভাষ্য, `এইরকম আয় বন্ধ থাকলে সামনে কেমনে চলবো আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না।‘

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৭৭৩,৫১৩
সুস্থ
৭১০,১৬২
মৃত্যু
১১,৯৩৪
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
১,৩৮৬
সুস্থ
৩,৩২৯
মৃত্যু
৫৬
স্পন্সর: Next Tech
স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: Next Tech
Translate »