1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  3. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  4. [email protected] : JM Amin Hossain : JM Amin Hossain
  5. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  6. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  7. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  8. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  9. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  10. [email protected] : amsitbd :
শিক্ষাব্যবস্থা লণ্ডভণ্ড করোনার আঘাতে: সরকার কি ভাবছে ? | সময়ের খবর
রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৫০ অপরাহ্ন

শিক্ষাব্যবস্থা লণ্ডভণ্ড করোনার আঘাতে: সরকার কি ভাবছে ?

সামছুল আরেফীন
  • আপডেট: মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল, ২০২১

করোনার আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়েছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা। করোনার ছোবলে ওলটপালট পুরো শিক্ষা ক্যালেন্ডার, বিপর্যস্ত শিক্ষাকার্যক্রম। বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষার এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বছরজুড়েই নানা কার্যক্রম চলেছে। মহামারিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি চলছে মধ্য মার্চ থেকে। সংসদ টেলিভিশন, বেতার, কমিউনিটি রেডিওর পাশাপাশি ভার্চুয়ালি যতটুকু শিক্ষা কার্যক্রম চালানো গেছে, তাতে আত্মতুষ্টির কিছু দেখছেন না শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শুধু কোভিড-১৯ মহামারির সময় নয়, পরে দুর্যোগের যে কোনো সময় যাতে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখা যায়, নতুন শিক্ষাক্রমে তা অন্তর্ভুক্ত করে সেভাবে অবকাঠামোগত প্রস্তুতি নিতে হবে।

বাংলাদেশে করোনা ভাইসের প্রকোপ বাড়তে শুরু করলে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। কওমি মাদরাসা বাদে অন্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা আছে। মহামারি পরিস্থিতির ততোটা উন্নতি না হওয়ায় এ বছর পঞ্চম ও অষ্টমের সমাপনী পরীক্ষা এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া যায়নি। নতুন বছরে আগের রোল নিয়েই নতুন ক্লাস শুরু করবে শিক্ষার্থীরা।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হলেও দেশে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় এইচএসসি পরীক্ষা আর নেওয়া সম্ভব হয়নি। করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে সিলেবাস কমিয়ে আগামী বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পিছিয়ে জুন মাসে এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জুলাই-আগস্ট মাসে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।

তার আগে এসএসসি ও এইচএসসি স্তরের শিক্ষার্থীদের সিলেবাস ‘পুনর্বিন্যস্ত’ করে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত স্কুল-কলেজে নিয়ে ক্লাস করানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

বছরের শেষভাগে এসে জানানো হয়, এবার মহামাররি মধ্যে আর এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে না; পরীক্ষার্থীদের অষ্টমের সমাপনী এবং এসএসসি ও সমমানের ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হবে। তবে সেজন্য একটি অধ্যাদেশ জারি করতে হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সহসাই এটি জারি করা হবে।

শিক্ষক-কর্মচারীদের মানবেতর জীবন: বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সমস্যা না হলেও ঘোর বিপদে পড়েছেন ১০ লাখ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী। বেতনের সঙ্গে প্রাইভেট টিউশনিও বন্ধ। ফলে সংকট আরো বেড়েছে। অনেক কিন্ডারগার্টেন স্কুলও বিক্রি করে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। রাস্তার মোড়ে, স্কুলের সামনে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব স্কুল বিক্রির নোটিশ ঝুলছে। পেশা পরিবর্তন করেছেন অনেকে। দেশে প্রায় ৬৫ হাজার কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ছয় লাখ শিক্ষক কর্মরত। টিউশন ফির টাকায় বাড়ি ভাড়া, বিভিন্ন বিল, শিক্ষকদের বেতন দেওয়া হয়। এসব প্রতিষ্ঠানে নিম্নমধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের সন্তানরা লেখাপড়া করে। বর্তমানে তারা বেতন দিতে পারছে না। আবার নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে সাড়ে সাত হাজার। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার। এছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রয়েছেন কয়েক লাখ অস্থায়ী ও খন্ডকালীন শিক্ষক। এই শিক্ষকদের বেশিরভাগ বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবন থেকে রক্ষায় অন্য পেশায় যাচ্ছে। ২০২১ সাল এই শিক্ষকদের পুরনো পেশায় ফেরার সুযোগ দেবে কি না, তা জানতে অপেক্ষায় থাকতে হবে তাদের।

অনলাইন শিক্ষার যুগে বাংলাদেশ : করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ‘আমার ঘরে আমার স্কুল’ নামে সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে শ্রেণি পাঠদান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর পরিচালিত এ কার্যক্রমে বেশকিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও এটাকে মন্দের ভালো বলছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা। মফস্বলের বহু এলাকায় বিদ্যুৎ সঙ্কটে টিভি দেখতে না পাওয়ায়ও বঞ্চিত হয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

গত ১৭ মার্চ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পর ২৯ মার্চ থেকে সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিকের ক্লাস চালু হয়। এছাড়া অনলাইনে মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো তাদের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিচ্ছেন। টেলিভিশনে ক্লাস প্রচার ও মোবাইল ফোনের বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর-৩৩৩৬ এ শিক্ষকের পরামর্শ কার্যক্রম গ্রহণের পর রেডিওতে প্রাথমিকের ক্লাস সম্প্রচার শুরু হয়।

সরকার বলছে, দেশব্যাপী ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে প্রায় ৯২ শতাংশ শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে দূরশিক্ষণ পদ্ধতি চালু করা হলেও শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগই যুক্ত হতে পারেনি। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান অনলাইনে ক্লাস নেয়। কিন্তু অধিকাংশ শিক্ষার্থী ইন্টারনেট সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকায় তাও সুফল বয়ে আনছে না। বিশেষ করে কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের জন্য এটা এখন চিন্তাই করা যায় না। বড়জোর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের জন্য এটি প্রযোজ্য হতে পারে। কিন্তু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ছাত্রছাত্রী প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে আসা; তাদের না আছে ইন্টারনেট সাপোর্ট, না আছে ল্যাপটপ; স্মার্টফোন থাকলেও নেটওয়ার্কিং ও টেকনিক্যাল জ্ঞানের অভাব তো আছেই। উপরন্তু অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর পারিবারিক অবস্থা আর্থিক অনটনের মধ্যে যাচ্ছে, যার ফলে উদ্বিগ্নতা আর টানাপড়েনের মধ্যে অনলাইন লেখাপড়ায় মনস্থির এক দুরূহ ব্যাপার। শিক্ষাব্যবস্থায় এই বিপর্যয়কর অবস্থা কবে কাটবে, কেউ তা বলতে পারছে না।

বিকল্প কতটা কার্যকর: কোনো কোনো পর্যায়ে অটো প্রমোশনের কথা বলা হচ্ছে; একে তো সিলেবাস একেবারেই অসম্পূর্ণ, অন্যদিকে অটো প্রমোশন, এর ফলে শিক্ষার গুণগতমান ধরে রাখা কষ্টকর হবে। করোনাকাল যদি আরো দীর্ঘায়িত হয়, তবে শিক্ষা ক্ষেত্রে বড় শূন্যতা দেখা দেবে। এমতাবস্থায় শিক্ষাকাল দীর্ঘ বা সেশনজট তৈরি হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে রেডিও, টেলিভিশন ও অনলাইনে ক্লাস করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। যাদের আর্থিক সামর্থ্য নেই ডিভাইস, ইন্টারনেট সাপোর্ট দিয়ে সরকার এগিয়ে আসতে পারে। এককথায় সব শিক্ষার্থী যাতে এর সুবিধা নিতে পারে, সেটিও সরকারকে বিবেচনায় নিতে হবে।

উচ্চ শিক্ষায় তীব্র হচ্ছে বৈষম্য : করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার পর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সম্মতি নিয়ে শর্তসাপেক্ষে অনলাইনে ক্লাস এবং পরীক্ষা চালু রাখে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এতে করে গত মার্চ মাস থেকে এখন পর্যন্ত এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অন্তত ২-৪টি সেমিস্টার পার করে ফেলেছেন। অন্যদিকে অনলাইনে ক্লাস চালু থাকলেও পরীক্ষা না হওয়ায় একই সেশনের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি সেমিস্টারও পার ।

ভর্তি ফি নিয়ে নতুন চিন্তা: নভেল করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে প্রায় ১০ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই সময়ের টিউশন ফি নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকদের মধ্যে সৃষ্ট জটিলতা এখনো কাটেনি। এর মধ্য দিয়েই আসছে নতুন বছর। এখন নতুন বছরে অভিভাবকদের নতুন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভর্তি ফি। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর বলছে, সুনির্দিষ্টভাবে টিউশন ফি ও ভর্তি ফির ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এ ব্যাপারে অভিভাবকদের আরো সচেতন হতে হবে। প্রয়োজনে অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ পাঠাতে অনুরোধ করেছেন কর্মকর্তারা।

করোনাকালে আয় কমেছে অনেক অভিভাবকের। আবার অনেকে চাকরি হারিয়েছেন। অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীই পথে বসেছেন। ফলে অনেক অভিভাবকই চলতি শিক্ষাবর্ষের টিউশন ফি এখন পর্যন্ত পরিশোধ করতে পারেননি। এমনকি যেসব অভিভাবক এখন পর্যন্ত পুরো টিউশন ফিসহ অন্যান্য ফি পরিশোধ করেছেন, তাঁদের দেওয়া অতিরিক্ত টাকাও সমন্বয় করেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। ফলে টিউশন ফি নিয়ে জটিলতার নিরসন এখনো হয়নি।

জেএসসি-জেডিসির পরিবর্তে মূল্যায়ন: করোনা ভাইরাস মহামারি পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয়ভাবে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা হবে না। তবে বিকল্প হিসেবে এবার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বিদ্যালয়ে মূল্যায়ন করে তাদের নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হবে। মন্ত্রণালয় থেকে এ ধরনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

উচ্চ মাধ্যমিকে অটো পাস : করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষা খাতে আরো একটি নতুন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই প্রথম উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষা না নিয়ে বিকল্প মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ‘অটো পাস’ পাওয়া এইচএসসি, আলিম ও সমমানের পরীক্ষার্থীরা গভীর উদ্বেগ নিয়ে ফলের জন্য অপেক্ষা করছে। পরীক্ষাবিহীন এই ফল উচ্চ শিক্ষা ও পরবর্তী চাকরিজীবনে কতটা গ্রহণযোগ্য হবে, সেটি নিয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান বলেন, সিদ্ধান্ত ভালো হয়েছে এজন্য যে, এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের নিয়ে আর দেরি করা হলো না। এ সিদ্ধান্তই যখন নেওয়া হলো, তখন আরো আগে কেন নেওয়া হলো না? তবে অনেক শিক্ষার্থী, যারা এই পরীক্ষায় ভালো করত না, তাদের জন্য ভালো হয়েছে। কিন্তু যারা আরো ভালো করার প্রস্তুতি নিয়েছিল, তারা ক্ষতিগ্রস্ত হলো। আসলে সারা বছর ধরে আমরা যদি অ্যাসেসমেন্ট করতে পারতাম, তাহলে সেটাই হতো সবচেয়ে ভালো। আর মূল্যায়ন ওভাবেই করা উচিত। তবে পরীক্ষার চেয়ে বড় কথা হলো, একজন শিক্ষার্থী কী শিখল?

মূল্যায়নভিত্তিক কার্যক্রম : করোনাকালে পাল্টে যাচ্ছে পুরো শিক্ষাকাঠামো। বন্ধ রয়েছে ক্লাস, বন্ধ হয়ে গেছে অনেক প্রতিষ্ঠান। আর্থিক ক্ষতির মুখে টিউশন ফি নিয়েও নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। প্রাথমিকে অটো পাসের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। পরীক্ষার পরিবর্তে লটারির মাধ্যমে ভর্তিতে ঘোষণা আসছে। পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ^বিদ্যালয়ে শর্তসাপেক্ষে পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে। ২০২২ সাল দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রাক-প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে।

দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রাক-প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। তবে এই মূল্যায়ন পদ্ধতি পর্যায়ক্রমে শুরু করা হবে। পাঠদানের সময় ‘ধারাবাহিক মূল্যায়ন’ (শ্রেণিকক্ষে মূল্যায়ন) ও বার্ষিক পরীক্ষার মাধ্যমে ‘সামষ্টিক মূল্যায়নের’ ভিত্তিতে শিক্ষার্থী পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হবে। আর প্রথম পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ‘দশম শ্রেণির’ পাঠ্যসূচি অনুযায়ী দশম শ্রেণিতেই। জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখায় পরীক্ষা নিয়ে এমনই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। বিভিন্ন দেশের শিক্ষাক্রম পর্যালোচনা ও দেশের শিক্ষাবিদদের মতামতের আলোকে পরীক্ষা নিয়ে এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এই রূপরেখা তৈরি করেছে। ২০২২ সাল থেকে এই রূপরেখার আলোকে কারিকুলাম ও পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তন পর্যায়ক্রমে শুরু হবে।

লেখকঃ শিক্ষাবীদ

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৭১৮,৯৫০
সুস্থ
৬১৪,৯৩৬
মৃত্যু
১০,৩৮৫
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
৩,৬৯৮
সুস্থ
৬,১২১
মৃত্যু
১০২
স্পন্সর: Next Tech
স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: Next Tech
Translate »