1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  3. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  4. [email protected] : JM Amin Hossain : JM Amin Hossain
  5. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  6. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  7. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  8. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  9. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  10. [email protected] : amsitbd :
আমতলীতে তরমুজের বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি ফুটলেও লকডাউনে তরমুজ পরিবহন নিয়ে দুশ্চিন্তা! | সময়ের খবর
রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৯:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
তীব্র দাবদাহে পুড়ছে আমতলীসহ উপকূল খাল বিল ফেটে চৌচির, বাড়ছে গরমজনিত রোগ, পুড়ছে রবি ফসলের ক্ষেত নোয়াখালীতে বাঁশ ঝাড় থেকে অস্ত্র-কার্তুজ উদ্ধার, যুবক আটক নোয়াখালীতে চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রলীগ নেতা  কারাগারে লালমনিরহাটে বাতাসে উড়ে যাচ্ছে মুজিব বর্ষের উপহারের বাড়ি  রামপালের ফয়লাহাটে চিংড়ি পোনা পরিবহনের  নামে কোটি  টাকার চাঁদাবাজি কালীগঞ্জে ধরন্ত শষার ক্ষেত কেটে সাবাড় কালীগঞ্জে বেদে পল্লীতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে  অন্তঃসত্ত্বা রেশমীর স্বপ্ন গেল মরে  করোনা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে আর্থিক সহায়তা পাবে ৩৬ লাখ পরিবার: প্রধানমন্ত্রী দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০২ জনের মৃত্যু সাকিবের কলকাতা টসে হেরে বোলিংয়ে

আমতলীতে তরমুজের বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি ফুটলেও লকডাউনে তরমুজ পরিবহন নিয়ে দুশ্চিন্তা!

হায়াতুজ্জামান মিরাজ, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
  • আপডেট: সোমবার, ৫ এপ্রিল, ২০২১

বরগুনার আমতলী উপজেলায় তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। গত বছরের তুলনায় চারগুণ বেশী দামে বাজারে তরমুজ বিক্রি হওয়ায় কৃষকদের মুখে যেমন হাসি ফুটেছে তেমনি করোনার কারনে লকডাউনে তরমুজ পরিবহন নিয়েও তারা দুশ্চিতায় পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে, এ বছর আমতলীতে ১ হাজার ৯’শ ৯০ হেক্টর জমিতে তরমুজের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল। ওই লক্ষমাত্রা অর্জিত হয়েছে। গত বছর তরমুজ চাষ হয়েছিল ১ হাজার ৫’শ হেক্টর জমিতে। গত বছরের তুলনায় এ বছর ৪’শ ৯০ হেক্টর জমিতে তারমুজ চাষ বেশী হয়েছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগে বিগত কয়েক বছর ধরে তরমুজ চাষীদের লোকসান গুনতে হয়েছে। ফলে তরমুজ চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিল এ উপজেলার কৃষকরা।

কৃষি বিভাগ প্রতি হেক্টরে ৪০-৪৫ মেট্রিকটন তরমুজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। তরমুজ চাষের আদর্শ জমি বেলে-দোআঁশ মাটি। এ উপজেলার জমিগুলো বেলে- দোআঁশ মাটি হওয়ায় রসালো তরমুজের চাষ এখানে ভালো হয়। তরমুজ চাষীরা কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুসারে পলি ব্যাগে চারা উৎপাদন পদ্ধতি ব্যবহার করে তরমুজ চাষ করেছেন। এছাড়া মাঘ মাসের শুরু থেকে মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে তরমুজ চাষের উপযুক্ত সময়। চাষের দুই মাসের মধ্যে গাছে তরমুজের ফলন ধরে। পুরো চৈত্র মাস জুড়ে তরমুজের ভরা মৌসুম। তবে বৈশাখ মাসের প্রথম দিকেও বাজারে তরমুজ পাওয়া যায়। ভরা মৌসুম হওয়ায় বর্তমানে তরমুজের পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষি ও শ্রমিকরা।

আমতলীর বিভিন্নস্থানে উৎপাদিত তরমুজে বাজার ছেয়ে গেছে। ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তরমুজ চাষি, আড়ৎদার ও শ্রমিকরা। এবার ফলন ভালো হওয়ায় খুশি চাষিরা। মৌসুমের শুরুতেই বাজারে ভালো দাম পাচ্ছেন। গত বছরের তুলনায় এ বছর বাজারে চারগুণ বেশী দামে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে। বাজারে দাম ভালো থাকায় কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। বিগত বছর গুলোর লোকসান কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন চাষীরা।

উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি তরমুজের চাষ হয়ে থাকে আঠারোগাছিয়া, কুকুয়া, হলদিয়া, চাওড়া ও গুলিশাখালী ইউনিয়নে। এসব ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে দূর- দূরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা এসে তরমুজ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। কিছু চাষী তাদের উৎপাদিত তরমুজ বিক্রি করে দিলেও আবার অনেক চাষী আরো বেশী দাম পাওয়ার আশায় এখনো তরমুজ বিক্রি না করে বসে আছেন। বিভিন্ন ক্ষেতে প্রকারভেদে জাম্বু জাগুয়ার, সুগার বেবী, ডায়মন্ড, বিগ ফ্যামিলি ও সুইট ড্রাগন জাতের তরমুজ উৎপাদিত হয়েছে। এসব তরমুজ স্বাদে অতুলনীয়।

অপরদিকে আমতলীর বেশ কয়েটি বাজার ঘুরে দেখাগেছে, প্রকারভেদে একটি ছোট সাইজের তরমুজ ৮০ থেকে ১০০, মাঝারী সাইজের তরমুজ ২০০ থেকে ৩০০ এবং বড় সাইজের তরমুজ ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত বছরের তুলনায় চারগুণ বেশী বলে জানায় একাধিক তরমুজ ব্যবসায়ীরা। চাষীদের উৎপাদিত তরমুজ স্থানীয়দের চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, টাঙ্গাইল, দিনাজপুর, গাজীপুর, বগুড়া, কুমিল্লা, গাইবান্দা, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পণ্যবাহী ট্রাক ও কার্গোতে করে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছেন। এখন আবার মহামারী করোনার কারনে সরকার ঘোষিত লকডাউনে তরমুজ পরিবহন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। সড়ক ও নৌপথে যান চলাচল বন্ধ থাকায় কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন। তারা তাদের উৎপাদিত তরমুজ পরিবহনের জন্য সড়ক ও নৌপথে পণ্যবাহী যান চলাচলের ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান।

উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ গাজীপুর গ্রামের সুলতান মৃধা বলেন, আমি ১০ একর জমিতে ৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তরমুজ চাষ করেছি। ফলনও ভালো হয়েছে। বৃষ্টি না হওয়ায় এ বছর খরচ একটু বেশী হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এখনও সকল তরমুজ বিক্রি করতে পারিনি। গত বছরের তুলনায় বাজারে দাম অনেক ভালো। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় গত বছরের তুলনায় চারগুণ লাভবান হবো বলে আশাকরি।

হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর রাওঘা গ্রামের তরমুজ চাষী তোফাজ্জেল হোসেন মীর বলেন, আমি ১২ একর জমিতে তরমুজের চাষ করেছি। এ বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে তরমুজের দাম ভালো থাকায় কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। দাম ভালো থাকায় এ এলাকার কৃষকরা কয়েক বছরের লোকসান কাটিয়ে লাভবান হবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কুকুয়া ইউনিয়নের খাকদান গ্রামের তরমুজ চাষী ফারুক বিশ্বাস বলেন, আমি ৬ বিঘা জমিতে তরমুজের চাষ করেছি। ফলনও ভালো হয়েছে। একটু বেশী দাম পাওয়ার আশায় এখনো ক্ষেতের উৎপাদিত তরমুজ বিক্রি করিনি। করোনার কারনে এখন সরকার লকডাউন দিয়েছে তাই আমিসহ অনেক চাষী তাদের উৎপাদিত তরমুজ বিক্রি করতে নিয়ে যাওয়ার জন্য পরিবহনের ব্যবস্থা নিয়ে দুশ্চিতায় আছি।

আমতলী পৌর শহরের কাঁচামাল (তরমুজ) ব্যবসায়ী ফরিদ মিয়া বলেন, আমতলীতে তরমুজের বাম্পার ফলন হওয়ায় গত বছরের তুলনায় এ বছর বাজারে তরমুজের দাম প্রায় চারগুণ বেশী। তিনি আরো বলেন, লকডাউনের কারনে তাদের ক্ষেতের উৎপাদিত তরমুজ বিক্রি নিয়ে বিপাকে আছেন।

উপজেলা কৃষি অফিসার সিএম রেজাউল করিম বলেন, প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারনে গত কয়েক বছর তরমুজ চাষীদের বড় ধরনের লোকসান গুনতে হয়েছে। এ কারনে তরমুজ চাষে কৃষকরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিল। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর চাষিরা বেশী জমিতে তরমুজ চাষ করেছে। এ বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হওয়ায় ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় খুশি কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় কৃষকরা বিগত কয়েক বছরের লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারতেছে। তিনি আরো বলেন, লকডাউনের মধ্যেও যাতে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত তরমুজ বিক্রি করতে পরিবহন সুবিধা পায় তার জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে।

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৭১৮,৯৫০
সুস্থ
৬১৪,৯৩৬
মৃত্যু
১০,৩৮৫
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
৩,৬৯৮
সুস্থ
৬,১২১
মৃত্যু
১০২
স্পন্সর: Next Tech
স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: Next Tech
Translate »