1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  3. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  4. [email protected] : JM Amin Hossain : JM Amin Hossain
  5. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  6. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  7. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  8. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  9. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  10. [email protected] : amsitbd :
ইয়াবা মামলায় সাক্ষীর অভাব, জামিনে বেরিয়ে ফের ইয়াবা ব্যবসা | সময়ের খবর
রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গলাচিপায় বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ, হাসপাতালে শয্যাসঙ্কট তীব্র দাবদাহে পুড়ছে আমতলীসহ উপকূল খাল বিল ফেটে চৌচির, বাড়ছে গরমজনিত রোগ, পুড়ছে রবি ফসলের ক্ষেত নোয়াখালীতে বাঁশ ঝাড় থেকে অস্ত্র-কার্তুজ উদ্ধার, যুবক আটক নোয়াখালীতে চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রলীগ নেতা  কারাগারে লালমনিরহাটে বাতাসে উড়ে যাচ্ছে মুজিব বর্ষের উপহারের বাড়ি  রামপালের ফয়লাহাটে চিংড়ি পোনা পরিবহনের  নামে কোটি  টাকার চাঁদাবাজি কালীগঞ্জে ধরন্ত শষার ক্ষেত কেটে সাবাড় কালীগঞ্জে বেদে পল্লীতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে  অন্তঃসত্ত্বা রেশমীর স্বপ্ন গেল মরে  করোনা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে আর্থিক সহায়তা পাবে ৩৬ লাখ পরিবার: প্রধানমন্ত্রী দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০২ জনের মৃত্যু

ইয়াবা মামলায় সাক্ষীর অভাব, জামিনে বেরিয়ে ফের ইয়াবা ব্যবসা

নিউজ ডেক্সঃ
  • আপডেট: রবিবার, ৭ মার্চ, ২০২১

মরণঘাতী ইয়াবা ট্যাবলেটের বিস্তার কোনোভাবেই রোধ করতে পারছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ইয়াবা ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের গ্রেপ্তার করলেও অনেকেই জামিনে বেরিয়ে ফের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। অনেকে জামিন নিয়ে আদালতে নিয়মিত হাজির না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে। তবে তারা স্থান পরিবর্তন করে পালিয়ে থাকায় পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারছে না। ওই মামলাগুলোর সাক্ষীদেরও খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব কারণে ইয়াবা মামলায় সাক্ষীর অভাবে বিচারও শেষ করতে পারছে না আদালত।

 

দেশের সব অধস্তন আদালতে এক লাখ ৮০ হাজারের ওপরে ইয়াবা মামলা বছরের পর বছর ঝুলে রয়েছে। মূলত মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের ফলে সারাদেশে মামলার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু সময়মতো মামলার বিচার না হওয়ায় দেশে মাদকের ভয়াবহতা যেমন কমছে না, তেমনি পুনর্বাসন প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

 

এমন অবস্থায় বিচারাধীন সব মাদক মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট বিচারকদের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সাক্ষী হাজির করে মামলা নিষ্পত্তিতে সহযোগিতা করতে জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), ওসি ও সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে।

 

সুপ্রিম কোর্টের তথ্যানুযায়ী, দেশের আদালতগুলোয় ২০১৮ সালে ১ লাখ ৪০ হাজারের মতো মাদক মামলা বিচারাধীন ছিল। গত দুই বছরে আরও ৪০ হাজার বেড়ে তা এখন হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজারের বেশি। এর মধ্যে বেশিরভাগ মামলার আসামি জামিনে মুক্ত হয়েছে।

 

মামলা নিষ্পত্তি প্রসঙ্গে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, ১৭ বছর ধরে ঝুলে আছে দেশের প্রথম ইয়াবা মামলার বিচার। মামলার দেড় যুগ পরেও এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত প্রধান আসামিসহ তিনজন এখন জামিনে। মামলার ১৫ সাক্ষীর মধ্যে মাত্র দুই জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। বাকিদের জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেও আদালতে হাজির করা যায়নি।

 

পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এ এফ এম রেজাউল করিম হিরণ বলেন, মামলাটি পরিবেশ আদালতে বিচারাধীন। পরিবেশ আদালতের আপিল বিভাগে বিচারক না থাকাও বিচার বিলম্বিত হওয়ার অন্যতম কারণ। গত বছরের জুন থেকে এই মামলার কোর্টের বিচারক নেই। মূলত করোনাকালীন ছুটিজনিত কারণে গত বছরের মার্চ মাস থেকেই এই মামলার কোনো অগ্রগতি নেই।

 

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, ২০০২ সালের ডিসেম্বর মাসে গুলশানের নিকেতনে প্রথম ইয়াবা উদ্ধার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। গ্রেপ্তার হয় মাদক ব্যবসায়ী সফিকুল ইসলাম ওরফে জুয়েল। তার দেয়া তথ্যমতে, রামপুরার বনশ্রী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তার দুই সহযোগী শামছুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় ১৯ ডিসেম্বর গুলশান থানায় মামলা করেন মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তৎকালীন পরিদর্শক এনামুল হক। মামলা তদন্ত শেষে ২০০৩ সালের ১৪ জানুয়ারি ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেন মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। অভিযোগপত্রে সফিকুল ও তার তিন সহযোগী সোমনাথ সাহা, মোশফিক ও এমরান হকের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়াও সফিকুলের বাবা শামছুল ও ভাই শরিফুল মাদক ব্যবসায় সহযোগিতা করে অপরাধ করেছে বলেও চার্জশিটে বলা হয়।

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বর্তমানে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক হেলাল উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ট্যাবলেটগুলো ধরা পড়ার পর রাসায়নিক পরীক্ষার মাধ্যমে আমরা ইয়াবার বিষয়টি নিশ্চিত হই। চাঞ্চল্যকর এ মামলার তদন্ত নেমে দেশে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিই। এটি দেশে ইয়াবার প্রথম মামলা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে আসামিদের সর্ব্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করি।

 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ইয়াবার প্রথম মামলায় এজহারভুক্ত ২ আসামি এখনো পলাতক রয়েছে। পলাতক আসামিরা হলো- সোমনাথ সাহা ও এমরান হক। গ্রেপ্তারকৃত তিন আসামি বর্তমানে জামিনে রয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ইয়াবার প্রথম মামলায় ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে মাত্র চারজন সাধারণ জনগণ। বাকি ১১ জনই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা। যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন চাকরির মেয়াদ শেষে অবসরেও গেছেন। আদালত থেকে বারবার সমন জারির পরও সাক্ষী দিতে না আসায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। তারা হলেন- পরিদর্শক এনামুল হক, উপ-পরিচালক ড. আমিনুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, সহকারী পরিচালক আমজাদ হোসেন, এএম হাফিজুর রহমান, জাহিদ হোসেন মোল্লা, প্রধান রাসায়নিক কর্মকর্তা দুলাল কৃষ্ণ সাহা, এসআই আহসান হাবিব ও সানোয়ার হোসেন। এ ছাড়াও সাধারণ মানুষ আরও চারজনকে সাক্ষী করা হয়েছে। তারা হলেন- আবু কাজী, নুরুজ্জামান, ফাহিম হাসান ও হেমায়েত।

 

এদিকে ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর বনানী থানার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী শরীফ ওরফে পাগলা শরীফ। মহাখালী স্কুল রোডে দাদা হোটেলের পিছনে নূরানী মসজিদের পাশের গলিতে তার বাড়ী। আবদুল আলীর ছেলে শরীফ পুলিশের সোর্স হিসেবেও কাজ করেন। নিজ বাড়ীতেই পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে করেন মাদক ব্যবসা। অনুসন্ধানে জানা যায়, ১২ জুন, ২০১৮ নিজ বাড়ী থেকেই শরিফকে ১২০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর। মামলা হয় বনানী থানায়। একমাস পরেই জামিনে বের হয়ে যান জেল থেকে। পরে ২০১৯ সালে ঈদুল আযহার আগে শরীফকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর আবার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠালে ঈদের পরে জামিনে বের হয়ে কৌশল পাল্টে আবার ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। বনানী থানায় তার নামে পাঁচটি মাদক মামলা রয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূএ জানায়, ২০১৮ সালে মে মাসের শেষে ৬০পিছ ইয়াবাসহ বাড্ডা থানায় গ্রেপ্তার হয় বনানী মহাখালী এলাকার তালিকাভূক্ত মাদক ব্যবসায়ী মানিক। মহাখালী পুরাতন বাজারে ‘মা ইলেকট্রনিক্স’ নামক দোকানে কৌশলে ইয়াবা ব্যবসা করতেন। জেল থেকে জামিনে বের হওয়ার পর দোকানটি ছেড়ে দিয়ে এখন তিনি পাঠাও চালকের ছদ্দবেশে ভ্রাম্মমান ইয়াবা ব্যবসা করেন। একটি সূএে জানা যায়, মানিক এখন মহাখালী, দক্ষিনখান ও তেঁজগাও এলাকায় ইয়াবা ব্যবসা করছেন।

 

২০১৮ সালের মে মাসের শেষ দিকে কড়াইল বস্তিতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার হয় মহাখালী-বনানী এলাকার দুর্ধর্ষ চোর হৃদয়। এসময় তার কাছ থেকে ২০পিছ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে ফের ইয়াবা ব্যবসা করছেন তিনি। স্থানীয় সূএে জানা গেছে, বনানী গোডাউন বস্তিতে পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত শহীদ ও তার ভাগ্নে হৃদয় ইয়াবার বড় কারবারি। গোডাউন বস্তিতে টিএন্ডটি মাঠের পাশে তাদের ঘরে বসেই তারা ইয়াবা বিক্রি করে। ২০০৫ সালে বনানী আমতলী ২নং রোডের হিন্দুপাড়া বস্তি থেকে অবৈধ পিস্তল, গুলি ও বিস্ফোরক দ্রব্যসহ শহীদকে গ্রেফতার করেছিল র‌্যাব-১। এই মামলায় সাজা খেটে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর থেকেই পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। পুলিশের সাথে সম্পর্কের প্রভাব খাটিয়ে করে মাদক ব্যবসা।

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৭১৮,৯৫০
সুস্থ
৬১৪,৯৩৬
মৃত্যু
১০,৩৮৫
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
৩,৬৯৮
সুস্থ
৬,১২১
মৃত্যু
১০২
স্পন্সর: Next Tech
স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: Next Tech
Translate »