1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  3. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  4. [email protected] : JM Amin Hossain : JM Amin Hossain
  5. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  6. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  7. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  8. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  9. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  10. [email protected] : amsitbd :
মহম্মদপুরে ঋতুরাজ বসন্তের প্রতিক শিমুল ফুলে রাঙিয়ে তুলেছে প্রকৃতি | সময়ের খবর
শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
নবীগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড: ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি   সিরাজগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রাজেশের জন্মদিন আজ শ্রেষ্ঠ তরুণ করদাতা  জুয়েল আমিনকে সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সংবর্ধনা মুজিববর্ষ উপলক্ষে গোমস্তাপুরে ভলিবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল  পল্লীশ্রী’র আয়োজনে ডিমলায় কৃষি ঋণ বিষয়ে গনশুনানী পিরোজপুরের স্বরূপকাঠীতে ইউপি চেয়ারম্যান পদ প্রত্যাশী স্বপনের সোডাউন  রামগঞ্জে কথিত জ্বীনের ভয়ে ৪ মাস বাড়ি ছাড়া: অতঃপর আগুনে পুড়ে সব ছাই “কোভিড-১৯” টিকা নিলেন প্রধানমন্ত্রী বরিশালে মানব পাচার মামলায় ২ জনের ৭ বছর করে কারাদণ্ড গৌরনদী উপজেলা এনজিও সমন্বয় পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

মহম্মদপুরে ঋতুরাজ বসন্তের প্রতিক শিমুল ফুলে রাঙিয়ে তুলেছে প্রকৃতি

বিশ্বজিৎ সিংহ রায় (মাগুরা) প্রতিনিধি :
  • আপডেট: সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

গ্রাম-বাংলার সৌন্দর্য শিমুল ফুলের রঙিন পাঁপড়িতে রাঙিয়ে তুলেছে প্রকৃতি। নতুন সাজে সেঁজেছে ঋতুরাজ বসন্ত। সেই সাথে বদলে গেছে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পরিবেশ। ঋতুরাজ বসন্তের শুরুতেই শিমুল ও পলাশ ফুলের স্বর্গীয় সৌন্দর্যে নান্দনিক হয়ে উঠেছে প্রকৃতি ও উপজেলার গাও-গ্রামের পরিবেশ। শিমুল ফুলের আভা জানান দিচ্ছে বসন্ত বুঝি এলো রে।

ষড় ছয় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রতিটি ঋতুই যেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। চারিপাশে নানা বর্ণের ফুলে ফুলে সাজানো। শীতের বিদায়লগ্নে আর ঋতুরাজ বসন্তের শুরুতেই গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য শিমুল ফুলের রঙিন পাঁপড়িতে নতুন সাজে সেজে ওঠে প্রকৃতি। এতে সাহিত্যিকরা খুজে পায় সাহিত্যের কাব্যিক ভাষা। আর ঐতিহ্যপ্রেমীরা মুগ্ধ হয়ে ফুলের দৃষ্টিকাব্য উপভোগ করে থাকে।

উপজেলার গ্রামাঞ্চলের পথে-প্রান্তরে, নদী বা পুকুরপাড়ে, মাঠে-ঘাটে, বাড়ির আঙিনায় এবং অফিসের ধারে রক্তিম ফুলের নান্দনিক সৌন্দর্য ছড়িয়ে পড়ে প্রকৃতির কোলে। তবে আজ অম্লান অতীতের স্মৃতি। তেমন একটা চোখে পড়ে না ফাগুনের রঙে রাঙানো রক্তলাল শিমুলের গাছ। দিনদিন কমে যাচ্ছে মূল্যবান শিমুলের সংখ্যাও। এক সময় প্রচুর শিমুল গাছ দেখা যেত। আর এই গাছের উৎপাদিত তুলা গ্রাম-গঞ্জে খুব জনপ্রিয় ছিলো।

এছাড়া ঔষধি গাছ হিসেবেও বেশ পরিচিত। গাও-গ্রামের মানুষ বিষ ফোড়া, আখের গুড় তৈরিতে শিমুলের রস এবং কোষ্ঠ কাঠিণ্য নিরাময়ে ব্যবহার করতো শিমুল গাছের মূল। এই শিমুল গাছের তুলা দিয়ে সুতা, বালিশ, লেপ, তোষকসহ হরেক রকমের বেডিং নিমার্ণে কোনো জুড়ি ছিল না। নিজের শিমুল গাছের তুলা বিক্রি করে সাবলম্বী হয়েছে অনেকে এমন নজিরও আছে গ্রামে। আবার শিমুল তুলা কুড়িয়ে বিক্রি করে উপার্জনও করতো অনেকে।

ফাগুনের প্রথমেই লাল রঙের ফাগুন ঝরা রঙিন পাঁপড়িতে রাঙিয়ে যেত শিমুল গাছ আর চৈত্রের শেষে ফুটন্ত তুলা বাতাসের সাথে উড়ে উড়ে মাতিয়ে রাখতো প্রকৃতিকে। সাঁদা তুলায় ঠেঁকে যেত নীল আকাশ। তখন পরিবেশটাও হতো অন্যরকম। নানা ছন্দে ও গানের খোরাক যোগাতো কবি সাহিত্যিকদের। কিন্তু গ্রাম-বাংলার বুক থেকে কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে মূল্যবান এই শিমুল গাছ। যা এক সময় অর্থনৈতিক সম্বৃদ্ধি এনে দিত।

যখন কোনো কিছু প্রকৃতি থেকে খোয়া যায়, তখন তার কদরও অনেকগুণ বেড়ে যায়। আর শিমুল গাছ ও ফুল হচ্ছে তেমনই। যা এখনও গাও-গ্রামে মান্দার গাছ হিসেবে বেশ পরিচিত। তাই সকলেই গাছ লাগায় এবং গাছের পরিচর্চা করি। একদিকে যেমন প্রাণ বাঁচবে অন্যদিকে তেমনই প্রকৃতির সৌন্দর্যও বাড়বে বলে ধারণা এলাকার প্রবিণ ও সচেতন মহলের।

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ
স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: AMS IT BD
Translate »