1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  3. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  4. [email protected] : JM Amin Hossain : JM Amin Hossain
  5. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  6. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  7. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  8. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  9. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  10. [email protected] : amsitbd :
স্বর্ণপদক পাওয়া শ্রেষ্ঠ ইউপি সদস্য এখন চা বিক্রি করে সংসার চালান! | সময়ের খবর
শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বানারীপাড়ায় বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের নব নির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত  তৃনমূলে নৌকা প্রতিক নিয়ে ইউনিয়ন নির্বাচনে কাজী কালাম তুবার ২য় জন্মদিন আজ ওড়না পেঁচানো কিশোরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  ৬ ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে ৩৮ জন আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেছেন লক্ষ্মীপুর ২ রায়পুর  আসনে ফরম নিলেন পিংকু হারুন বাকীন রিগ্যান বানারীপাড়ায় ধানের শীষে ভোট না দেওয়া সেই রফিকসহ ৬ বিএনপি নেতা বহিস্কার মহেশপুর সীমান্তে ভারত যাওয়ার সময় দালালসহ ১৮ জন আটক গলাচিপায় রতনদী তালতলী ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নিলেন নাজমুল হাসান গলাচিপায় ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন কিনলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. খালেক মিয়া

স্বর্ণপদক পাওয়া শ্রেষ্ঠ ইউপি সদস্য এখন চা বিক্রি করে সংসার চালান!

হায়াতুজ্জামান মিরাজ, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
  • আপডেট: শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

বরগুনার তালতলী উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের দু’বারের স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ স্বপন হাওলাদার (৪৫) এখন চা বিক্রি করে সংসার চালান।

খোজ নিয়ে জানাগেছে, ২০১২ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সততার সঙ্গে জনসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় সেসময় দু’বার শ্রেষ্ঠ ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়ে স্বর্ণপদকে ভূষিত হন। সততা আর নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্বপালন করা সাবেক এই ইউপি সদস্য এখন বসবাস করছেন অন্যের জমিতে। জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন রিকশাও চালিয়েছেন। মহামারী করোনার কারণে রিকশা চালানো বাদ দিয়ে এখন চা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন।

দুর্নীতির সঙ্গে আপস না করা স্বপন হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমিতে বসবাস করেছেন। সরকারি জমিতে থাকা তার ঘরটি গত বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ ভেঙ্গে দিয়েছে। এরপর থেকে তিনি তার মাসহ পরিবারের ৬ সদস্য নিয়ে অন্যের জমিতে মাথা গোঁজার চেষ্টা করছেন।

স্থাণীয়রা জানায়, এক সময়ের আলোচিত এই ইউপি সদস্য স্বপন মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সুখ-দুঃখের কথা শুনতেন। বিপদে আপদে তাদের পাশে দাঁড়াতেন। সততার সঙ্গে দায়িত্বপালন করার কারনে ২০১৪ ও ২০১৫ সালে তাকে শ্রেষ্ঠ ইউপি সদস্যের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। শত শত মানুষের উপকার করা এই ইউপি সদস্যের পাশে এখন আর কেউ নেই। ইচ্ছা করলে জনপ্রতিনিধি থাকা অবস্থায় এ পদকে পুঁজি করে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারতেন স্বপন। পরিবার-পরিজন নিয়ে থাকতে পারতেন সুখে। কিন্তু তিনি সেটা করেননি।

লোভ-লালসার উর্দ্ধে উঠে নিজেকে মানুষের জন্য বিলিয়ে দেওয়া এই ইউপি সদস্যের বসবাস এখন অন্যের জমিতে। সামনে বর্ষা মৌসুমে ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে স্বপন তার পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়েছেন। তিনি পরিবার নিয়ে নিরাপদে কোথায় আশ্রয় নেবেন সেটাই ভেবে পাচ্ছেন না।

ওই এলাকার আবুল কালাম, সফেজ উদ্দিনসহ একাধিক বাসিন্দারা জানান, ইউপি সদস্য থাকা অবস্থায় সবসময় আমাদের পাশে থাকতেন স্বপন হাওলাদার। কখনও তিনি জনগণের অর্থেও ভাগ বসাননি। নিজেকে সবসময় জনগণের সেবায় নিয়োজিত রেখেছিলেন। তারা আরো জানান, গত বুধবার ইউপি সদস্য স্বপন হাওলারের থাকার ঘরটি প্রশাসন ভেঙ্গে দিয়েছে। এখন স্বপন মেম্বার অন্যের জমিতে থাকেন। তার এ অবস্থা দেখে আমাদের অনেক কষ্ট হয়। তারপরেও তার পাশে দাঁড়ানোর সাধ্য আমাদের কারোর নেই।

অপরদিকে সাবেক ইউপি সদস্য স্বপন হাওলাদারের পরিবার সূত্রে জানাগেছে, ২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ইউপি সদস্যের দায়িত্বপালন শেষে জীবিকার তাগিদে স্বপন হাওলাদার লোকলজ্জার ভয়ে তালতলী ছেড়ে দীর্ঘদিন রিকশা চালিয়েছেন ঝালকাঠি ও বরিশাল শহরে। রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহের পাশাপাশি লেখাপড়া করাচ্ছেন ২ পুত্র ও ১ কণ্যাকে। তার ২ পুত্র ইতোমধ্যে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। এছাড়া ৫ম ও ৮ম শ্রেণিতে গোল্ডেন এ-প্লাস পাওয়া একমাত্র মেধাবী কণ্যা তালতলীর একটি স্কুলে ১০ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত আছে।

সাবেক ইউপি সদস্য স্বপন হাওলাদার মুঠোফোনে বলেন, ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়ে আমি সততার সঙ্গে দায়িত্বপালনের চেষ্টা করেছি। জীবিকা নির্বাহের জন্য লোকলজ্জার ভয়ে দূরে গিয়ে রিকশা চালিয়েছি। এখন চা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করা চেষ্টা করছি। আমার একমাত্র সম্বল ছিল সরকারি জমিতে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাসের জন্য একটি ঘর। সেটিও প্রশাসন ভেঙ্গে ফেলেছে। সরকারের কাছে আমি বসবাসের জন্য এক খন্ড ও একটি ঘর চাই। এর বাহিরে আমার আর কিছু চাওয়ার নেই।

বিষয়টি নিয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন, সাবেক ইউপি সদস্য স্বপন হাওলাদারের বসবাসের জন্য ঘরের প্রয়োজনীয়তার কথা আমি জেনেছি। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানিয়েছি। স্বপন হাওলাদার আমাদের কাছে লিখিত আবেদন করলে অবশ্যই তাকে আমরা একটি সরকারি ঘর দেওয়ার চেষ্টা করবো।

 

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ
স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: AMS IT BD
Translate »