1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  3. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  4. [email protected] : JM Amin Hossain : JM Amin Hossain
  5. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  6. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  7. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  8. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  9. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  10. [email protected] : amsitbd :
হালুয়াঘাট স্থল বন্দর উন্নয়ন কাজে গরমিল | সময়ের খবর
শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কালীগঞ্জের গ্রামীণ সড়ক অবৈধ ট্রলি ট্রাক্টরের দখলে ,অতিষ্ঠ পথযাত্রি ও সড়কের পাশে বসতবাড়ির জনজীবন   বানারীপাড়ায় ইলুহারে পুনরায়  নৌকার কান্ডারী হতে চান সহিদ আগামী শনিবার লাল রং এর বাড়ি পাচ্ছে  প্রধানমন্ত্রীর উপহার লালমনিরহাটের ৯৭৮ টি পরিবার বানারীপাড়ায় বিশারকান্দিতে  নৌকার কান্ডারী হতে  মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন আল-আমিন বিরামপুরে অর্ধশতাধিক টাকার জালনোট ও ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার ১ সুনামগঞ্জে প্রথম ধাপে পাচ্ছেন ৪০৭টি গৃহহী সপ্নের ঘর রামপালে চাঁদা দাবীর মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানির চেষ্টা  গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ১০ জন দুঃস্থ অসহায় প্রতিবন্ধি ও ভিক্ষুককে পূর্ণবাসন করলেন গোবিন্দগঞ্জে মেডিকেল বর্জ্য অপসারণ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের উদ্বোধন রামপালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কতৃক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

হালুয়াঘাট স্থল বন্দর উন্নয়ন কাজে গরমিল

দেওয়ান নাঈম,হালুয়াঘাট প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট: বুধবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২১

গারো পাহাড়ের পাদদেশে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তঘেঁষা উপজেলা হালুয়াঘাট। এই উপজেলায় রয়েছে দু’টি স্থলবন্দর। একটি গোবরাকুড়া এবং অন্যটি কড়ইতলী। ২০১২ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর তৎকালীন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট প্রমোদ মানকিন গোবরাকুড়া ও কড়ইতলী বন্দরকে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর হিসেবে আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন। কাঙ্খিত এ দু’টি স্থলবন্দরকে একীভূত করে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দরে উন্নীত করে গেজেট প্রকাশের পর সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে একটু দেরিতে হলেও উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, এ স্থল বন্দরের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ, বিজিবি ক্যাম্প, পুলিশ স্টেশন, কাস্টমস ভবন, ওয়্যার হাউজ, ব্যাংক এবং বহির্গমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ল্যান্ডি পারমিট ভিসা অফিস স্থাপনের কাজসহ সর্বপরি বন্দর উন্নয়নের কাজ চলমান।

মেসার্স মাহাবুব এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স আলম বিল্ডার্স এবং ডিজে বাংলা নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো দুটি স্থলবন্দর উন্নয়নের কাজ পায়। কিন্তু সরেজমিনে দেখা যায় সংশ্লিষ্ট কাজের নেই কোন কাজের সংক্ষিপ্ত বিবরণীসহ সাইনবোর্ড, বন্দর কর্তৃপক্ষের নেই সঠিক তদারকি আর ইয়ার্ড ভরাট করতে বালুর পরিবর্তে দেওয়া হচ্ছে শতশত ট্রাক মাটি।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বন্দর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাইট ইঞ্জিনিয়ার পরিচয়দানকারী জনৈক মুর্শেদ আলম জানান, ইয়াার্ড ভরাট করতে বালু ব্যবহারের আদেশ থাকলেও ভুলবশত কিছু মাটি চলে এসেছে। ভবিষ্যতে এমনটি আর হবে না। আর কাজের সংক্ষিপ্ত বিবরণীসহ সাইনবোর্ড এখনো লাগানো হয়নি।এ বিষয়ে বন্দর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ধীরেন্দ্রনাথ সরকারের সাথে কথা বলার জন্য মুঠোফোন নাম্বার চাইলে তিনি দিতে অস্বীকার করেন।

 

একটি সূত্র থেকে জানা যায়, স্থলবন্দরটির জমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন কাজের জন্য সরকার ৬৭ কোটি ২২ লাখ টাকা বরাদ্ধ করে। জানুয়ারি ২০১৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সালের মধ্যে এই উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে তা শেষ হয়নি। বর্তমানে সমগ্র উন্নয়ন কাজের মাত্র ৫০ ভাগ শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল করিম বলেন, স্থলবন্দর দুটির উন্নয়ন প্রক্রিয়া চলমান। তবে দরপত্রের আদেশ অনুযায়ী কাজ না হলে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

 

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ
স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: AMS IT BD
Translate »