1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  3. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  4. [email protected] : JM Amin Hossain : JM Amin Hossain
  5. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  6. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  7. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  8. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  9. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  10. [email protected] : amsitbd :
মোরেলগঞ্জে সার্ভার জটিলতায় মিলছে না জন্মসনদ, বিপাকে অভিভাবক | সময়ের খবর
বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বাউফলে উদ্বোধনের আগেই ফাটল কলাপাড়ায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের খামখেয়ালীতে চাষ অনুপোযগী তিন ফসলি জমি কলাপাড়া পৌর নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ পায়রাবন্দর এলাকা থেকে তিনলাখ মিটার কারেন্ট জাল ও ১০মণ জাটকা জব্দ কুয়াকাটার মহিপুর ভার্মি কম্পোস্ট প্রচার ও প্যাকেজিং বিষয়ক কর্মশালা নলচিড়া ইউপি’র চেয়ারম্যান পদে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী শারমিন কবীর বিথী ব্যাপক আলোচনায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে বরগুনা সদর উপজেলা ভূমি অফিসের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ উপ-ভূমি সংস্কার কমিশনারের বরগুনা সদর উপজেলার তিন ভূমি অফিস পরিদর্শন গৌরনদীতে আধিপত্যকে ধরে রাখতে কাউন্সিলর প্রার্থীর কান্ড দশমিনায় এমপি’র সাথে আইনজীবীদের মতবিনিময় সভা

মোরেলগঞ্জে সার্ভার জটিলতায় মিলছে না জন্মসনদ, বিপাকে অভিভাবক

মেহেদী হাসান লিপন, মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট)সংবাদদাতাঃ
  • আপডেট: শনিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২১

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সার্ভার জটিলতায় জন্মসনদ প্রাপ্তিতে বিলম্ব হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও উপবৃত্তি কার্যক্রম আটকে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রেও জন্মসনদ বাধ্যতামূলক থাকায় সেখানেও অভিবাবকদের পড়তে হচ্ছে বিপাকে।
সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ২০২০ সালের উপবৃত্তির কার্যক্রম রুপালী ব্যাংকের শিওর ক্যাশ থেকে ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন ‘নগদ’-এর মাধ্যমে প্রদান করতে হবে। শিওর ক্যাশ পোর্টালে জন্মসনদ বাধ্যতামূলক ছিল না। কিন্তু নগদ পোর্টালে জন্মসনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু সার্ভার জটিলতার কারনে জন্মসনদ প্রদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার উপবৃত্তির তথ্য সঠিক সময়ে জমা দেওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

 

উপজেলার খাউলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে জন্মসনদ নিতে আসা অভিবাবক কবির হোসেন বলেন, আমি বেশ কয়েকদিন ধরে জন্মসনদ নেওয়ার জন্য পরিষদে যাচ্ছি। কিন্তু সার্ভার কাজ না করায় প্রতিদিন ঘুরতে হচ্ছে। আমার ছেলেকে টিকা কার্ড দিয়ে বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়েছি। কিন্তু জন্মসনদ বাধ্যতামূলক, লাগবেই। তাই প্রতিদিন পরিষদে এসে খোঁজ নিচ্ছি।

 

 

জন্মসনদ নিতে আসা আরেক অভিবাবক রুবি আকাতার বলেন, বিদ্যালয় থেকে বলে দিয়েছে জন্মসনদ ছাড়া উপবৃত্তির টাকা পাওয়া যাবে না। আজ নিয়ে তিন দিন আসলাম, কিন্তু এখনো সনদ পাইনি। যদি সঠিক সময়ে জন্মসনদ না দিতে পারি তাহলে তো উপবৃত্তির টাকা পাব না। এ সমস্যা আমার একার নয়। অনেক অভিবাবক প্রতিদিন জন্মসনদের জন্য এসে ঘুরে যাচ্ছেন। আমরা দাবি জানাচ্ছি যেন দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

 

 

ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সচিব শরিফ-উদ দৌলা বলেন, প্রতিদিন অসংখ্য অভিভাবক তাদের সন্তানদের জন্ম নিবন্ধন করতে এসে ফেরত যাচ্ছেন। গত ডিসেম্বর থেকে সার্ভারে কাজ করছে না। জন্ম নিবন্ধনের সার্ভারটি এ মাসের ১০ তারিখ থেকে নতুন ডাইমেনশনে যাবে। এর মধ্যেই আমাদের পাসওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। শুধু মাত্র এই উপবৃত্তির কারণে বা বর্তমান প্রয়োজনের তাগিদে পুরাতন সার্ভারে কাজ চলছে। দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান হবে।

 

মধ্য পুটিখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মল্লিক জাকির হোসেন বালেন, অনেক অভিভাবক এখনো আমাদের জন্মসনদ দিতে পারেনি। অপর দিকে জানুয়ারির ১০ তারিখের মধ্যে আমাদের উপবৃত্তির তথ্য প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে। এ সময়ের মধ্যে কোনো অবস্থাতেই তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়। শিশু শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আমরা টিকা কার্ড দিয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের ভর্তি করছি। অভিবাবকদের বলে দেওয়া হয়েছে অবশ্যই জন্মসনদ লাগবে। সার্ভারের সমস্যার কারণে যেহেতু এই সমস্যা হচ্ছে, তাই উপবৃত্তির তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সময় যেন বৃদ্ধি করা হয় সেই দাবি জানাচ্ছি।

 

মোরেলগঞ্জ শিক্ষা কর্মকর্তা জালালা উদ্দিন খান বলেন, প্রধান শিক্ষকদের মাধ্যমে সার্ভার সমস্যার বিষয়টি শুনেছি, চলতি জানুয়ারি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে উপবৃত্তির সকল তথ্য শিক্ষা অফিসে জমা দেওয়ার কথা। তবে এখন পর্যন্ত জন্মসনদের সার্ভারের সমস্যার কারণে উপজেলার কোনো বিদ্যালয় থেকে উপবৃত্তির তথ্য শিক্ষা অফিসে জমা দেয়নি। বিষয়টি আমরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসকে অবগত করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ

নেই থাকার মত একটি ভাল ঘর, কনকনে শীতে ভাগ্য জুটেনি ১টি কম্বল! মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাটজেলাপ্রতিনিধিলালমনিরহাট।সংসারের লাগামহীন নানা বোঝা টানতে টানতে এখন ক্লান্ত , সময়ের পরিক্রমায় হয়ে পড়েন অক্ষম, শক্তিহীন এক দম্পতি। সেই দিনের তরতাজা জীবন দুটি আজ বয়সের ভারে বৃদ্ধ। নেই থাকার মত একটি ভাল ঘর। ভাঙ্গা একটি টিনের চালায় মানবেতর জীবনযাপন। এক কথায় ভালো নেই তারা।এতক্ষণ বলছিলাম লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের কাকিনা জেলেপাড়া গ্রামের মৃত জহুর উদ্দিনের ছেলে জহির উদ্দিন নামের ৯৬ বছরের এক বৃদ্ধ ও ৬৩ বছরের হালিমা নামের এক দম্পতির কথা।মানবেতর জীবনযাপন করছেন অসহায় হতদরিদ্র বৃদ্ধ দম্পতি জহির উদ্দিন ও হালিমা। যার নিজের থাকার মত একটি ভাল ঘর নেই বৃদ্ধা স্ত্রীকে নিয়ে জরাজীর্ণ একটি টিনের চালায় খেয়ে না খেয়ে দিন কাটে তাদের, এমন কি এই কনকনে শীতে তার ভাগ্য জুটেনি ১টি সরকারি কম্বল!বৃদ্ধ এই দম্পতিদের দুই ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় তেমন একটা খোঁজখবর রাখছেন না কেউই। তবে দুই ছেলে থাকলেও তারাও এখন বিয়ে করে বৃদ্ধ বাবা মায়ের থেকে আলাদা। তারাও দিন কাটাচ্ছেন অনেক কষ্টে। ২১ জানুয়ারী বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কনকনে শীত আর ঠান্ডা বাতাসে ভাঙ্গা টিনের চালায় ৬৮ বছরের বৃদ্ধা স্ত্রীকে নিয়ে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এই কনকনে শীতে কেউ দেয়নি একটি কম্বল। তার দুই ছেলে বড় ছেলের নাম হালিম পেশায় “জেলে” সে তিস্তা নদীতে মাছ ধরে কোন রকম তার স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে সংসার চালান। ছোট ছেলে ঢাকায় থাকেন। তিন মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। বর্তমানে বৃদ্ধা স্ত্রীকে নিয়ে সরকারের দেয়া দু’জনের বয়স্কভাতার টাকা দিয়ে চলে তাদের সংসার ।অশ্রুশিক্ত চোখে বৃদ্ধ দম্পতিরা সাংবাদিকদের জানান, ভোটের সময় ভোট চাইতে আসে সবাই। ভোট হয়ে গেলে কেউ আসে না আর। একটি ঘরের জন্য চেয়ারম্যান কে কয়েকবার বলেছি কোন গুরুত্ব দেয়নি। আমাদের চেয়ে ভাল চলে তারা পায় সরকারী ঘর অথচ আমাদের ভাগ্যে জুটেনি একটি সরকারী ঘর। নিজের জায়গা জমি যা ছিলো সবশেষ। বাস্তভিটা ৪ শতক ছিল সেটাও ছেলেদের নামে দিয়েছি।স্থানীয়রা ভাষ্যমতে , অসহায় ওই বৃদ্ধ দম্পতির ভাল একটি ঘর নেই। থাকেন টিনের চালায়। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ওই দম্পতির জন্য একটি সরকারী ঘর পাওয়া উচিৎ বলে মনে করেন স্থানীয়রা।এ বিষয় কাকিনা ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল হক শহীদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “আমার সাথে জহির উদ্দিন ঘরের বিষয় কোন কথা বলেনি”। তবে ওই জহির উদ্দিন একটি সরকারী ঘর পাওয়া উচিৎ। সরকারি একটি ঘর পেলেই কিছুটা হলেও ভালো থাকবেন তারা। তাই লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন, কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট একটি সরকারি ঘরের জন্য আকুতি জানান এই বৃদ্ধ দম্পতি।

স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: AMS IT BD
Translate »