1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  3. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  4. [email protected] : JM Amin Hossain : JM Amin Hossain
  5. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  6. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  7. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  8. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  9. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  10. [email protected] : amsitbd :
দু’উপজেলার ৭৬টি আয়রণ ব্রীজ জরাজীর্ণ! | সময়ের খবর
বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বাউফলে উদ্বোধনের আগেই ফাটল কলাপাড়ায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের খামখেয়ালীতে চাষ অনুপোযগী তিন ফসলি জমি কলাপাড়া পৌর নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ পায়রাবন্দর এলাকা থেকে তিনলাখ মিটার কারেন্ট জাল ও ১০মণ জাটকা জব্দ কুয়াকাটার মহিপুর ভার্মি কম্পোস্ট প্রচার ও প্যাকেজিং বিষয়ক কর্মশালা নলচিড়া ইউপি’র চেয়ারম্যান পদে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী শারমিন কবীর বিথী ব্যাপক আলোচনায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে বরগুনা সদর উপজেলা ভূমি অফিসের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ উপ-ভূমি সংস্কার কমিশনারের বরগুনা সদর উপজেলার তিন ভূমি অফিস পরিদর্শন গৌরনদীতে আধিপত্যকে ধরে রাখতে কাউন্সিলর প্রার্থীর কান্ড দশমিনায় এমপি’র সাথে আইনজীবীদের মতবিনিময় সভা

দু’উপজেলার ৭৬টি আয়রণ ব্রীজ জরাজীর্ণ!

হায়াতুজ্জামান মিরাজ, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২১

বরগুনার আমতলী ও তালতলী উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে ৭৬টি আয়রন ব্রীজ এখন মরণফাঁদে পরণিত হয়েছে। এ সকল আয়রণ ব্রীজ দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। এসকল ব্রীজ ধ্বসে যে কোনো মুহুর্তে বড় ধরনের প্রাণহানির আশংঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

দু’উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা যায়, আমতলী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ৬০টি ঝুঁকিপূর্ণ আয়রন ব্রীজের মধ্যে ১২টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং তালতলী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ১৬টি ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজের মধ্যে ৭টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ আয়রণ ব্রীজ রয়েছে।

সরেজমিনে দু’উপজেলার বেশ কয়েকটি স্থানে গিয়ে দেখাগেছে, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি), জেলা পরিষদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস (ত্রান বিভাগ) কর্তৃক নির্মিত একাধিক আয়রণ ব্রীজের স্লীপার ভেঙ্গে ও এ্যাঙ্গেলে মরিচা ধরে নদীতে পড়ে রয়েছে।

আমতলী উপজেলার আমড়াগাছিয়া বাজার সংলগ্ন আয়রন ব্রীজ, আঠারোগাছিয়া ইউনিয়র পরিষদ সংলগ্ন আয়রন ব্রীজ,গুলিশাখালী কালামপুর মাদ্রাসা সংলগ্ন আয়রন ব্রীজ, তক্তাবুনিয়া রহিমিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন আয়রন ব্রীজ, মধ্য আড়পাঙ্গাশিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন আয়রন ব্রীজ, কুকুয়া কুতুবপুর মাদ্রাসা সংলগ্ন আয়রন ব্রীজ ও আরুয়া বৈরাগী আয়রন ব্রীজ এবং তালতলী উপজেলার শানুর বাজার সংলগ্ন আয়রন ব্রীজ, সোনা আয়রন ব্রীজ, শারিকখালী আয়রন ব্রীজ, ডাকুয়া বাড়ী সংলগ্ন আয়রন ব্রীজ, তাতীপাড়া সংলগ্ন আয়রণ ব্রীজ ও কালীর আয়রন ব্রীজসহ দু’উপজেলার অনেক সেতু দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে রয়েছে। এসকল সেতু দিয়ে প্রতিদিন দু’উপজেলার হাজার হাজার মানুষ, শিক্ষার্থী ও যানবাহন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন।

আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের টেপুড়া গ্রামের বাসিন্ধা ও সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আবু সালেহ জানান, টেপুড়া বাজার ও পার্শ্ববর্তী গলাচিপা উপজেলার নলুয়াবাগী এলাকার শিক্ষার্থী ও সর্বসাধারনের চলাচলের সুবিধার্থে গত ২০০১ সালে টেপুড়া নদীর ওপর একটি আয়রণ ব্রীজ নির্মাণ করা হয়। নির্মানের পর থেকে অদ্যবদী এ ব্রীজটির কোন সংস্কার না হওয়ায় সেতুটির স্লীপার ও এ্যাঙ্গেলে মরিচা ধরে ভেঙ্গে নদীতে পড়ে রয়েছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ভাঙ্গা ব্রীজ দিয়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ পারাপার হচ্ছেন। যে কোন মুহুর্তে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের কোন দূর্ঘটনা।

তালতলী উপজেলার সানুর বাজার সংলগ্ন বাসিন্ধা ও আওয়ামীলীগ নেতা শ্যামল দেবনাথ বলেন, আমাদের শানুর বাজার ও বেহালা গ্রামে পারাপারের জন্য নির্মিত আয়রণ ব্রীজটির অবস্থা এতটাই খারাপ যে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ভাঙ্গা ব্রীজ পার হয়ে সাধারণ মানুষদের বাজারে আসতে ও যেতে হয়।

তালতলী উপজেলা প্রকৌশলী আহম্দে আলী মুঠোফোনে বলেন, এ উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ১৬টি ঝুঁকিপূর্ণ আয়রণ ব্রীজ রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব ব্রীজ পুনঃনির্মাণ করা হবে।

আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ আয়রণ ব্রীজের তালিকা প্রস্তুত করে তা উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

 

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ

নেই থাকার মত একটি ভাল ঘর, কনকনে শীতে ভাগ্য জুটেনি ১টি কম্বল! মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাটজেলাপ্রতিনিধিলালমনিরহাট।সংসারের লাগামহীন নানা বোঝা টানতে টানতে এখন ক্লান্ত , সময়ের পরিক্রমায় হয়ে পড়েন অক্ষম, শক্তিহীন এক দম্পতি। সেই দিনের তরতাজা জীবন দুটি আজ বয়সের ভারে বৃদ্ধ। নেই থাকার মত একটি ভাল ঘর। ভাঙ্গা একটি টিনের চালায় মানবেতর জীবনযাপন। এক কথায় ভালো নেই তারা।এতক্ষণ বলছিলাম লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের কাকিনা জেলেপাড়া গ্রামের মৃত জহুর উদ্দিনের ছেলে জহির উদ্দিন নামের ৯৬ বছরের এক বৃদ্ধ ও ৬৩ বছরের হালিমা নামের এক দম্পতির কথা।মানবেতর জীবনযাপন করছেন অসহায় হতদরিদ্র বৃদ্ধ দম্পতি জহির উদ্দিন ও হালিমা। যার নিজের থাকার মত একটি ভাল ঘর নেই বৃদ্ধা স্ত্রীকে নিয়ে জরাজীর্ণ একটি টিনের চালায় খেয়ে না খেয়ে দিন কাটে তাদের, এমন কি এই কনকনে শীতে তার ভাগ্য জুটেনি ১টি সরকারি কম্বল!বৃদ্ধ এই দম্পতিদের দুই ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় তেমন একটা খোঁজখবর রাখছেন না কেউই। তবে দুই ছেলে থাকলেও তারাও এখন বিয়ে করে বৃদ্ধ বাবা মায়ের থেকে আলাদা। তারাও দিন কাটাচ্ছেন অনেক কষ্টে। ২১ জানুয়ারী বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কনকনে শীত আর ঠান্ডা বাতাসে ভাঙ্গা টিনের চালায় ৬৮ বছরের বৃদ্ধা স্ত্রীকে নিয়ে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এই কনকনে শীতে কেউ দেয়নি একটি কম্বল। তার দুই ছেলে বড় ছেলের নাম হালিম পেশায় “জেলে” সে তিস্তা নদীতে মাছ ধরে কোন রকম তার স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে সংসার চালান। ছোট ছেলে ঢাকায় থাকেন। তিন মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। বর্তমানে বৃদ্ধা স্ত্রীকে নিয়ে সরকারের দেয়া দু’জনের বয়স্কভাতার টাকা দিয়ে চলে তাদের সংসার ।অশ্রুশিক্ত চোখে বৃদ্ধ দম্পতিরা সাংবাদিকদের জানান, ভোটের সময় ভোট চাইতে আসে সবাই। ভোট হয়ে গেলে কেউ আসে না আর। একটি ঘরের জন্য চেয়ারম্যান কে কয়েকবার বলেছি কোন গুরুত্ব দেয়নি। আমাদের চেয়ে ভাল চলে তারা পায় সরকারী ঘর অথচ আমাদের ভাগ্যে জুটেনি একটি সরকারী ঘর। নিজের জায়গা জমি যা ছিলো সবশেষ। বাস্তভিটা ৪ শতক ছিল সেটাও ছেলেদের নামে দিয়েছি।স্থানীয়রা ভাষ্যমতে , অসহায় ওই বৃদ্ধ দম্পতির ভাল একটি ঘর নেই। থাকেন টিনের চালায়। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ওই দম্পতির জন্য একটি সরকারী ঘর পাওয়া উচিৎ বলে মনে করেন স্থানীয়রা।এ বিষয় কাকিনা ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল হক শহীদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “আমার সাথে জহির উদ্দিন ঘরের বিষয় কোন কথা বলেনি”। তবে ওই জহির উদ্দিন একটি সরকারী ঘর পাওয়া উচিৎ। সরকারি একটি ঘর পেলেই কিছুটা হলেও ভালো থাকবেন তারা। তাই লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন, কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট একটি সরকারি ঘরের জন্য আকুতি জানান এই বৃদ্ধ দম্পতি।

স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: AMS IT BD
Translate »