1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  3. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  4. [email protected] : JM Amin Hossain : JM Amin Hossain
  5. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  6. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  7. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  8. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  9. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  10. [email protected] : amsitbd :
জীবনটায় শেষ হইল চল বাদার রাস্তায় থাকতে!!  মোক একনা কাউ ঘর দেন বাবা | সময়ের খবর
বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বাউফলে উদ্বোধনের আগেই ফাটল কলাপাড়ায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের খামখেয়ালীতে চাষ অনুপোযগী তিন ফসলি জমি কলাপাড়া পৌর নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ পায়রাবন্দর এলাকা থেকে তিনলাখ মিটার কারেন্ট জাল ও ১০মণ জাটকা জব্দ কুয়াকাটার মহিপুর ভার্মি কম্পোস্ট প্রচার ও প্যাকেজিং বিষয়ক কর্মশালা নলচিড়া ইউপি’র চেয়ারম্যান পদে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী শারমিন কবীর বিথী ব্যাপক আলোচনায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে বরগুনা সদর উপজেলা ভূমি অফিসের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ উপ-ভূমি সংস্কার কমিশনারের বরগুনা সদর উপজেলার তিন ভূমি অফিস পরিদর্শন গৌরনদীতে আধিপত্যকে ধরে রাখতে কাউন্সিলর প্রার্থীর কান্ড দশমিনায় এমপি’র সাথে আইনজীবীদের মতবিনিময় সভা

জীবনটায় শেষ হইল চল বাদার রাস্তায় থাকতে!!  মোক একনা কাউ ঘর দেন বাবা

মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাট  প্রতিনিধি
  • আপডেট: সোমবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২১
‘জীবনটায় শেষ হয় চল বাদার রাস্তায় থাকতে তাও মোক একনা কাউ ঘর দেন বাবা’-এমন আকুতি ৭৫ বয়সী শ্রবণ প্রতিবন্ধী কদবানু বেগমের। লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের কাশিরাম গ্রামের মুন্সীর বাজার তিস্তা নদীর কাছা কাছি বাদের রাস্তায় বাড়ি। রাস্তায়  জমিতে থাকে।
দু’পাশে ছোট দুটি ভাঙাচেরা টিনের চালা। সেই ঘরে একাই কোন রকম থাকেন তিনি, নেই স্বামী সন্তান বাড়িতে একটি মেয়ে ছিলো তার সে অনেক আগে বিয়ে হয়ে স্বামীর বাড়ি চলে যায় । সীমাহীন কষ্টে কাটছে কদবানুর জীবন। শীতে হিম হয়ে যায় কদবানু। জমাজমি নেই। বয়সের ভারে ন্যুয়েপড়া কদ বানুর জীবন কাটছে অন্যের মুখাপেক্ষী হয়ে।
স্থানীয় লোকজন জানায়, স্বামী তো নেই অনেক আগেই মারা গেছে, আর মেয়েটি যতদিন বাড়িতে ছিল তদিন তো শ্রম দিয়ে কোন রকমে খেয়ে না খেয়ে চলছে তাদের কষ্টের জীবন। তাছাড়া সব দিনে তো আর কাজ পায় না।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এমন চিত্র। সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত একটি কম্বলও দেয়নি কেউ। মুজিববর্ষে শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে একটি ঘরের আবেদন কদবানু বেগমের।।
কদবানু বেগমের কষ্টের কথা স্বীকার করে তুষভান্ডার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুর ইসলাম বলেন, তার একটি ঘরের  প্রয়োজন। সে একটি কম্বলও পায়নি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এমন কদবানু অনেক আছে, কাকে রেখে কাকে দেই।

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ

নেই থাকার মত একটি ভাল ঘর, কনকনে শীতে ভাগ্য জুটেনি ১টি কম্বল! মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাটজেলাপ্রতিনিধিলালমনিরহাট।সংসারের লাগামহীন নানা বোঝা টানতে টানতে এখন ক্লান্ত , সময়ের পরিক্রমায় হয়ে পড়েন অক্ষম, শক্তিহীন এক দম্পতি। সেই দিনের তরতাজা জীবন দুটি আজ বয়সের ভারে বৃদ্ধ। নেই থাকার মত একটি ভাল ঘর। ভাঙ্গা একটি টিনের চালায় মানবেতর জীবনযাপন। এক কথায় ভালো নেই তারা।এতক্ষণ বলছিলাম লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের কাকিনা জেলেপাড়া গ্রামের মৃত জহুর উদ্দিনের ছেলে জহির উদ্দিন নামের ৯৬ বছরের এক বৃদ্ধ ও ৬৩ বছরের হালিমা নামের এক দম্পতির কথা।মানবেতর জীবনযাপন করছেন অসহায় হতদরিদ্র বৃদ্ধ দম্পতি জহির উদ্দিন ও হালিমা। যার নিজের থাকার মত একটি ভাল ঘর নেই বৃদ্ধা স্ত্রীকে নিয়ে জরাজীর্ণ একটি টিনের চালায় খেয়ে না খেয়ে দিন কাটে তাদের, এমন কি এই কনকনে শীতে তার ভাগ্য জুটেনি ১টি সরকারি কম্বল!বৃদ্ধ এই দম্পতিদের দুই ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় তেমন একটা খোঁজখবর রাখছেন না কেউই। তবে দুই ছেলে থাকলেও তারাও এখন বিয়ে করে বৃদ্ধ বাবা মায়ের থেকে আলাদা। তারাও দিন কাটাচ্ছেন অনেক কষ্টে। ২১ জানুয়ারী বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কনকনে শীত আর ঠান্ডা বাতাসে ভাঙ্গা টিনের চালায় ৬৮ বছরের বৃদ্ধা স্ত্রীকে নিয়ে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এই কনকনে শীতে কেউ দেয়নি একটি কম্বল। তার দুই ছেলে বড় ছেলের নাম হালিম পেশায় “জেলে” সে তিস্তা নদীতে মাছ ধরে কোন রকম তার স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে সংসার চালান। ছোট ছেলে ঢাকায় থাকেন। তিন মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। বর্তমানে বৃদ্ধা স্ত্রীকে নিয়ে সরকারের দেয়া দু’জনের বয়স্কভাতার টাকা দিয়ে চলে তাদের সংসার ।অশ্রুশিক্ত চোখে বৃদ্ধ দম্পতিরা সাংবাদিকদের জানান, ভোটের সময় ভোট চাইতে আসে সবাই। ভোট হয়ে গেলে কেউ আসে না আর। একটি ঘরের জন্য চেয়ারম্যান কে কয়েকবার বলেছি কোন গুরুত্ব দেয়নি। আমাদের চেয়ে ভাল চলে তারা পায় সরকারী ঘর অথচ আমাদের ভাগ্যে জুটেনি একটি সরকারী ঘর। নিজের জায়গা জমি যা ছিলো সবশেষ। বাস্তভিটা ৪ শতক ছিল সেটাও ছেলেদের নামে দিয়েছি।স্থানীয়রা ভাষ্যমতে , অসহায় ওই বৃদ্ধ দম্পতির ভাল একটি ঘর নেই। থাকেন টিনের চালায়। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ওই দম্পতির জন্য একটি সরকারী ঘর পাওয়া উচিৎ বলে মনে করেন স্থানীয়রা।এ বিষয় কাকিনা ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল হক শহীদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “আমার সাথে জহির উদ্দিন ঘরের বিষয় কোন কথা বলেনি”। তবে ওই জহির উদ্দিন একটি সরকারী ঘর পাওয়া উচিৎ। সরকারি একটি ঘর পেলেই কিছুটা হলেও ভালো থাকবেন তারা। তাই লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন, কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট একটি সরকারি ঘরের জন্য আকুতি জানান এই বৃদ্ধ দম্পতি।

স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: AMS IT BD
Translate »