1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  3. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  4. [email protected] : JM Amin Hossain : JM Amin Hossain
  5. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  6. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  7. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  8. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  9. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  10. [email protected] : amsitbd :
বারি-১৪ জাতের সরিষায় কৃষকের মুখে হাসি | সময়ের খবর
শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গৌরনদী ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের কার্যালয় উদ্বোধণ গৌরনদীতে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষন : ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা নেই থাকার মত একটি ভাল ঘর, কনকনে শীতে ভাগ্য জুটেনি ১টি কম্বল! মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাটজেলাপ্রতিনিধিলালমনিরহাট।সংসারের লাগামহীন নানা বোঝা টানতে টানতে এখন ক্লান্ত , সময়ের পরিক্রমায় হয়ে পড়েন অক্ষম, শক্তিহীন এক দম্পতি। সেই দিনের তরতাজা জীবন দুটি আজ বয়সের ভারে বৃদ্ধ। নেই থাকার মত একটি ভাল ঘর। ভাঙ্গা একটি টিনের চালায় মানবেতর জীবনযাপন। এক কথায় ভালো নেই তারা।এতক্ষণ বলছিলাম লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের কাকিনা জেলেপাড়া গ্রামের মৃত জহুর উদ্দিনের ছেলে জহির উদ্দিন নামের ৯৬ বছরের এক বৃদ্ধ ও ৬৩ বছরের হালিমা নামের এক দম্পতির কথা।মানবেতর জীবনযাপন করছেন অসহায় হতদরিদ্র বৃদ্ধ দম্পতি জহির উদ্দিন ও হালিমা। যার নিজের থাকার মত একটি ভাল ঘর নেই বৃদ্ধা স্ত্রীকে নিয়ে জরাজীর্ণ একটি টিনের চালায় খেয়ে না খেয়ে দিন কাটে তাদের, এমন কি এই কনকনে শীতে তার ভাগ্য জুটেনি ১টি সরকারি কম্বল!বৃদ্ধ এই দম্পতিদের দুই ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় তেমন একটা খোঁজখবর রাখছেন না কেউই। তবে দুই ছেলে থাকলেও তারাও এখন বিয়ে করে বৃদ্ধ বাবা মায়ের থেকে আলাদা। তারাও দিন কাটাচ্ছেন অনেক কষ্টে। ২১ জানুয়ারী বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কনকনে শীত আর ঠান্ডা বাতাসে ভাঙ্গা টিনের চালায় ৬৮ বছরের বৃদ্ধা স্ত্রীকে নিয়ে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এই কনকনে শীতে কেউ দেয়নি একটি কম্বল। তার দুই ছেলে বড় ছেলের নাম হালিম পেশায় “জেলে” সে তিস্তা নদীতে মাছ ধরে কোন রকম তার স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে সংসার চালান। ছোট ছেলে ঢাকায় থাকেন। তিন মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। বর্তমানে বৃদ্ধা স্ত্রীকে নিয়ে সরকারের দেয়া দু’জনের বয়স্কভাতার টাকা দিয়ে চলে তাদের সংসার ।অশ্রুশিক্ত চোখে বৃদ্ধ দম্পতিরা সাংবাদিকদের জানান, ভোটের সময় ভোট চাইতে আসে সবাই। ভোট হয়ে গেলে কেউ আসে না আর। একটি ঘরের জন্য চেয়ারম্যান কে কয়েকবার বলেছি কোন গুরুত্ব দেয়নি। আমাদের চেয়ে ভাল চলে তারা পায় সরকারী ঘর অথচ আমাদের ভাগ্যে জুটেনি একটি সরকারী ঘর। নিজের জায়গা জমি যা ছিলো সবশেষ। বাস্তভিটা ৪ শতক ছিল সেটাও ছেলেদের নামে দিয়েছি।স্থানীয়রা ভাষ্যমতে , অসহায় ওই বৃদ্ধ দম্পতির ভাল একটি ঘর নেই। থাকেন টিনের চালায়। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ওই দম্পতির জন্য একটি সরকারী ঘর পাওয়া উচিৎ বলে মনে করেন স্থানীয়রা।এ বিষয় কাকিনা ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল হক শহীদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “আমার সাথে জহির উদ্দিন ঘরের বিষয় কোন কথা বলেনি”। তবে ওই জহির উদ্দিন একটি সরকারী ঘর পাওয়া উচিৎ। সরকারি একটি ঘর পেলেই কিছুটা হলেও ভালো থাকবেন তারা। তাই লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন, কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট একটি সরকারি ঘরের জন্য আকুতি জানান এই বৃদ্ধ দম্পতি। গলাচিপায় ঘর পাচ্ছে ৩৯৩ গৃহহীন পরিবার ঝিনাইদহে ট্রাক চাপায় নারীর মৃত্যু, আহত-১ মোরেলগঞ্জ পৌর সভার ভোট গ্রহন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ খুবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী বহিষ্কারের ঘটনায় ববিতে বিক্ষোভ, লাগাতার আন্দোলনের হুঁশিয়ার কালীগঞ্জের গ্রামীণ সড়ক অবৈধ ট্রলি ট্রাক্টরের দখলে ,অতিষ্ঠ পথযাত্রি ও সড়কের পাশে বসতবাড়ির জনজীবন   বানারীপাড়ায় ইলুহারে পুনরায়  নৌকার কান্ডারী হতে চান সহিদ আগামী শনিবার লাল রং এর বাড়ি পাচ্ছে  প্রধানমন্ত্রীর উপহার লালমনিরহাটের ৯৭৮ টি পরিবার

বারি-১৪ জাতের সরিষায় কৃষকের মুখে হাসি

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
  • আপডেট: রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০

আমন ঘরে তোলার পর বেশ কিছু সময় ফাঁকা পড়ে থাকে জমি। কৃষক তো আর বসে থাকতে পারে না। আর ঘরে বসে থাকলে তো পেটে ভাত যাবে না। কারণ ফসল ফলিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে হয় তাদের। তাই আমন ঘরে তোলার পরপরই তারা নেমে পড়েন সেই ফাঁকা জমিতে।

রবি মৌসুমের বিভিন্ন জাতের ফসল লাগাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তারা। এরমধ্যে অন্যতম একটি ফসল হলো সরিষা।

জমিতে চাষ ছাড়া সরিষা বীজ জমিতে রোপণ করেন। অমন ধান ঘরে তোলারপর জমিতে বারি-১৪ সরিষা ছিটায়ে দিতে হয়।
কালীগঞ্জ উপজেলার ভাটপাড়া, সুন্দরপুর, আলাইপুর, রঘুনাথপুর, বারবাজার ষাটবাড়িয়াসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামের কৃষকরা এই সরিষা চাষ করে থাকেন। এসব এলাকার বেশির ভাগ কৃষকই এবার তাদের জমিতে বারি-১৪ জাতের সরিষা লাগিয়েছেন।

একাধিক চাষির সঙ্গে আলাপকালে সরিষা আবাদ সম্পর্কে এমনই তথ্য ওঠে আসে।

ষাটবাড়িয়া গ্রামের কৃষক কবিরুল ইসলাম নান্নু, জানান, বর্তমান সময়ে তাদের মতো কৃষকদের অনেক ফসল চাষ করে লোকসান গুণতে হচ্ছে। সেই লোকসান কাটিয়ে উঠতে তাদের সব সময় বাড়তি আয়ের চিন্তা করতে হয়। সেই ভাবনা থেকে এবার তিনি প্রায় ২ বিঘা জমিতে বারি-১৪ জাতের সরিষা লাগিয়েছেন আসা করছেন ফলন ও ভালো পাবেন। প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ৭ মন সরিষা পাবেন বলে তিনি আশা করছেন।

আলাইপুর গ্রামের কৃষক আলিমুল ইসলাম এবার ৩ বিঘা জমিতে এবার বারি-১৪ জাতের সরিষা চাষ করেছেন। গড়ে বিঘাপ্রতি ফলন হবে প্রায় ৬ থেকে মণ হারে। এছাড়া বর্তমানে অন্য ফসলের চেয়ে সরিষার বাজারদর ভাল। এ কারণে সরিষা আবাদ করে তিনি ঠোকেননি। বরং বেশ লাভবান হয়েছেন

তাদের মতো কৃষকদের সব সময় বাড়তি আয়ের চিন্তা নিয়ে ফসল ফলাতে হয়। কারণ অনেক ফসল চাষ করে লোকসান গুণতে হয় অনেক সময়। সেই লোকসানের ধকল সামলে নিতে সাথী ফসল নিয়ে ভাবতে হয় তাদের।

এবার শীতের শুরু থেকেই আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। এছাড়া সরিষা চাষে খুব একটা ব্যয়ও করতে হয় না। সরিষার জমিতে খুব বেশি চাষ দিতে হয় না। সার, বীজ, চাষ, সেচ, কীটনাশক, শ্রমিকসহ প্রতিবিঘা জমির বিপরীতে বড়জোড় ৬ হাজার টাকার মতো ব্যয় হয়। বর্তমান বাজারে প্রতিমণ সরিষা রকমভেদে ২৩শ থেকে ২৫শ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এক বিঘা জমিতে গড়ে ৭ মণ হারে সরিষা পেলেও বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী সব খরচ বাদে তাদের ভালই লাভ হবে।

কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সিকদার মোহায়মেন আক্তার জানান, প্রতিবছর এই সরিষার চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বারি-১৪ জাতের সরিষাতে লাভ বেশি । এবছর কালীগঞ্জ উপজেলাতে ৭শ ৫০ হেক্টর জমিতে বারি -১৪ জাতের সরিষার চাষ হয়েছে । কৃষি অফিস কতৃক ৬শ জন কৃষককে বীজ ও সার প্রদান করা হয় তত্বমধ্যে ৩৫টি প্রদর্শনী প্লট আছে ৩৫জন কৃষকের ৩৫ বিঘা জমিতে।

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ

নেই থাকার মত একটি ভাল ঘর, কনকনে শীতে ভাগ্য জুটেনি ১টি কম্বল! মোস্তাফিজুর রহমান লালমনিরহাটজেলাপ্রতিনিধিলালমনিরহাট।সংসারের লাগামহীন নানা বোঝা টানতে টানতে এখন ক্লান্ত , সময়ের পরিক্রমায় হয়ে পড়েন অক্ষম, শক্তিহীন এক দম্পতি। সেই দিনের তরতাজা জীবন দুটি আজ বয়সের ভারে বৃদ্ধ। নেই থাকার মত একটি ভাল ঘর। ভাঙ্গা একটি টিনের চালায় মানবেতর জীবনযাপন। এক কথায় ভালো নেই তারা।এতক্ষণ বলছিলাম লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নের কাকিনা জেলেপাড়া গ্রামের মৃত জহুর উদ্দিনের ছেলে জহির উদ্দিন নামের ৯৬ বছরের এক বৃদ্ধ ও ৬৩ বছরের হালিমা নামের এক দম্পতির কথা।মানবেতর জীবনযাপন করছেন অসহায় হতদরিদ্র বৃদ্ধ দম্পতি জহির উদ্দিন ও হালিমা। যার নিজের থাকার মত একটি ভাল ঘর নেই বৃদ্ধা স্ত্রীকে নিয়ে জরাজীর্ণ একটি টিনের চালায় খেয়ে না খেয়ে দিন কাটে তাদের, এমন কি এই কনকনে শীতে তার ভাগ্য জুটেনি ১টি সরকারি কম্বল!বৃদ্ধ এই দম্পতিদের দুই ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় তেমন একটা খোঁজখবর রাখছেন না কেউই। তবে দুই ছেলে থাকলেও তারাও এখন বিয়ে করে বৃদ্ধ বাবা মায়ের থেকে আলাদা। তারাও দিন কাটাচ্ছেন অনেক কষ্টে। ২১ জানুয়ারী বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কনকনে শীত আর ঠান্ডা বাতাসে ভাঙ্গা টিনের চালায় ৬৮ বছরের বৃদ্ধা স্ত্রীকে নিয়ে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এই কনকনে শীতে কেউ দেয়নি একটি কম্বল। তার দুই ছেলে বড় ছেলের নাম হালিম পেশায় “জেলে” সে তিস্তা নদীতে মাছ ধরে কোন রকম তার স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে সংসার চালান। ছোট ছেলে ঢাকায় থাকেন। তিন মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। বর্তমানে বৃদ্ধা স্ত্রীকে নিয়ে সরকারের দেয়া দু’জনের বয়স্কভাতার টাকা দিয়ে চলে তাদের সংসার ।অশ্রুশিক্ত চোখে বৃদ্ধ দম্পতিরা সাংবাদিকদের জানান, ভোটের সময় ভোট চাইতে আসে সবাই। ভোট হয়ে গেলে কেউ আসে না আর। একটি ঘরের জন্য চেয়ারম্যান কে কয়েকবার বলেছি কোন গুরুত্ব দেয়নি। আমাদের চেয়ে ভাল চলে তারা পায় সরকারী ঘর অথচ আমাদের ভাগ্যে জুটেনি একটি সরকারী ঘর। নিজের জায়গা জমি যা ছিলো সবশেষ। বাস্তভিটা ৪ শতক ছিল সেটাও ছেলেদের নামে দিয়েছি।স্থানীয়রা ভাষ্যমতে , অসহায় ওই বৃদ্ধ দম্পতির ভাল একটি ঘর নেই। থাকেন টিনের চালায়। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ওই দম্পতির জন্য একটি সরকারী ঘর পাওয়া উচিৎ বলে মনে করেন স্থানীয়রা।এ বিষয় কাকিনা ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুল হক শহীদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “আমার সাথে জহির উদ্দিন ঘরের বিষয় কোন কথা বলেনি”। তবে ওই জহির উদ্দিন একটি সরকারী ঘর পাওয়া উচিৎ। সরকারি একটি ঘর পেলেই কিছুটা হলেও ভালো থাকবেন তারা। তাই লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন, কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আলহাজ্ব নুরুজ্জামান আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট একটি সরকারি ঘরের জন্য আকুতি জানান এই বৃদ্ধ দম্পতি।

স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: AMS IT BD
Translate »