1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  3. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  4. [email protected] : JM Amin Hossain : JM Amin Hossain
  5. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  6. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  7. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  8. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  9. [email protected] : Royal Imran Sikder : Royal Imran Sikder
  10. [email protected] : amsitbd :
মহম্মদপুরে দু’সহোদরসহ তিন বীরযোদ্ধার আত্মত্যাগের দিন আজ | সময়ের খবর
মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৬:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দৈনিকসময়ের আলোর সম্পাদক কমলেশ রায়ের মা দীপালিরায়ের প্রয়াণে বানারীপাড়া প্রেসক্লাবের শোক তালতলীতে এসসিএমএফপি’র অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত আমতলীতে পারিবারিক সংঘর্ষে অসুস্থ্য বৃদ্ধের মৃত্যু! গাইবান্ধা সদর উপজেলার নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসারে যোগদান উপলক্ষে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা মানবিক ইউএনও শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদের বদলীর খবরে বানারীপাড়াবাসী অশ্রুজলে সিক্ত… চরফ্যাশনে  ৬০ বছরের  বসতবাড়ী দখলের চেষ্টার অভিযোগ দক্ষিণ আইচায় পথচারী ও ব্যবসাযীদের মধ্যে মাস্ক বিতরন ও সচেতনতা  গাইবান্ধা সদর উপজেলার নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুর রাফিউল আলমের যোগদান উপলক্ষে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা গলাচিপায় জগদ্ধাত্রী পূজা উদযাপিত গলাচিপায় ধান লুটের আশংকায় রাত জেগে পাহারা

মহম্মদপুরে দু’সহোদরসহ তিন বীরযোদ্ধার আত্মত্যাগের দিন আজ

(মাগুরা) প্রতিনিধি :
  • আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২০

মহান মুক্তিযোদ্ধের ইতিহাসে মহম্মদপুরবাসীর একটি ঐতিহাসিক দিন ১৯ নভেম্বর। দুই সহোদরসহ তিন বীরযোদ্ধার আত্মত্যাগের দিন আজ। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে মহম্মদপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের বয়াবহ যুদ্ধ হয়। সেই যুদ্ধে মাগুরার মহম্মদপুরের আপন দুই ভাই হাবিবুর রহমান মহম্মদ ও আহম্মদ হোসেনসহ ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙ্গালী সৈনিক মহম্মদ আলী পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে নিহত হন। মহম্মদপুর বাসীর কাছে এই দিনটি অত্যন্ত বেদনা দায়ক ও নিষ্ঠুরতম। তাই মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সহযোগিতায় পারিবারিকভাবে এই দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করে থাকেন।

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে শহীদদ্বয়ের কবর জিয়ারত, বীর মুক্তিযোদ্ধা আহম্মদ ও মহম¥দের নিজ বাড়ীতে আলোচনা সভা, কুরআন তেলায়াত, মিলাদ মাহফিল এবং কাঙ্খালিভোজের আয়োজন করা হয়। উপজেলার নাগড়িপাড়া গ্রামের মৃত্যু আফসার উদ্দীনের ছেলে এই দুই সহোদর।

১৯৭১ সালের অক্টোবর মাসের প্রথম দিকে স্থানীয় রাজাকারদের সহায়তায় টিটিডিসি (বর্তমান উপজেলা পরিষদ) ভবনে ক্যাম্প স্থাপন করে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে লুটপাট ও নিরীহ মানুষের উপর নির্যাতন ও অত্যাচার চালায় পাকিস্তানি সেনারা। ওই ভবনেই তারা শক্তিশালী পর্যবেক্ষক চৌকি তৈরী করে। পাকিস্তানী সেনা ও রাজাকাদের এ ক্যাম্পে আক্রমনের সিদ্ধান্ত নেয় মুক্তিযোদ্ধাদের আলাদা ৪টি সশস্ত্র বাহিনী।

আক্রমনের পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯৭১ সালের ১৮ নভেম্বর রাতে উপজেলার ঝামা বাজারে সমবেত হন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোমল সিদ্দীকি (বীর উত্তম) এর বাহিনী দক্ষিন কোণে, আবুল খায়ের ও নুর মোস্তফার যৌথবাহিনী উত্তর কোণে, গোলাম ইয়াকুব (বীরপ্রতিক) এর বাহিনী দক্ষিন-পশ্চিমে এবং আহম্মদ হোসেনের নেতৃত্বে থাকা মুক্তিযোদ্ধারা উত্তর-পূর্বকোণে অবস্থান গ্রহন করেন। ঝামা বাজার থেকে আসতে দেরী হওয়ায় ফজরের নামাজের আগমূহুর্তে পাকিস্তানী সেনা ও রাজাকারদের ক্যাম্পে আক্রমন চালান আহম্মদ হোসেনের নেতৃত্বে থাকা মুক্তিযোদ্ধারা। শুরু হয় গুলাগুলি।

দীর্ঘক্ষণ দুপক্ষের তুমুল যুদ্ধ হয়। পাকিস্তানি বাহিনীর ব্যাপক গুলিবর্ষণে মুক্তিযোদ্ধারা পিছু হটার সিদ্ধান্ত নেন। এমন সময় একটি গুলি আহম্মদ হোসেনের মাথায় বিদ্ধ হয়। বড় ভাই মহম্মদ হোসেন ছোট ভাইকে বাঁচাতে ছুটে যাওয়ার সময় তিনিও গুলিবিদ্ধ হন। দুই ভাই পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে গড়িয়ে পুকুরের পানিতে পড়ে যান এবং সেখানেই শহীদ হন। এর অল্প সময়ের ব্যাধানে মহম্মদ আলী (ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙ্গালী সৈনিক) শহীদ হন। শহীদ সহোদর আহম্মদ, মহম্মদ ও মহম্মদ আলীকে নাগড়িপাড়া গ্রামের কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়।

তাই স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত মহম্মদপুর বাসী নানা কর্মসুচির মধ্য দিয়ে মহান এই দিনটি স্বরণ করে থাকেন। এ তিন বীর শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মাকফেরাত কামনায় কুরআন তেলায়াত, মিলাদ মাহফিল ও কাঙ্খালিভোজের আয়োজন করা হয় শহীদ সহোদরদের নিজ বাড়ীতে। বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ দুই সহোদরের আত্মত্যাগ চিরকাল স্বরণ রাখতে উপজেলা সদরে সরকারী ভাবে আহম্মদ মহম্মদ সড়ক, তাদের স্মৃতিস্থাম্ব ও আহম্মদ মহম্মদ মার্কেট নামে একটি মার্কেটেরও নাম করণ করা হয়েছিলো। কিন্তু উপজেলা সদরের উন্নয়নের লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ সেই মার্কটটি ভেঙ্গে ফেলেছে। তবে আহম্মদ মহম্মদ মার্কেট ও বীর প্রতিক গোলাম ইয়াকুব মার্কেটসহ শহীদ আবীর সাধারণ পাঠাগারটি পূর্ণ স্থাপনের দাবী জানান উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও স্থানীয় সচেতন মহল।

মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন শোক ও গৌরবের এই দিনটিকে সরকারি ভাবে মহম্মদপুর মুক্ত দিবস হিসেবে ঘোষনার দাবী করে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আঃ হাই মিয়া বলেন, মহান দিনটিতে সরকারি কোনো উদ্যোগ না থাকায় শহীদদ্বয়ের পরিবার এবং আমরা নিজেদের উদ্যোগে এ দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করে থাকি।

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ
স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: AMS IT BD
Translate »