1. [email protected] : admin001 :
  2. [email protected] : Khairul Islam Sohag : Khairul Islam Sohag
  3. [email protected] : Mizanur Rahman : Mizanur Rahman
  4. [email protected] : JM Amin Hossain : JM Amin Hossain
  5. [email protected] : Soyed Feroz : Soyed Feroz
  6. [email protected] : Masud Sarder : Masud Sarder
  7. [email protected] : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  8. [email protected] : Md. Imam Hoshen Sujun : Md. Imam Hoshen Sujun
  9. [email protected] : Royel Imran Sikder : Royel Imran Sikder
  10. [email protected] : amsitbd :
মোরেলগঞ্জের সেরজন স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ৪৫ বছরেরও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি | সময়ের খবর
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৭:১৪ অপরাহ্ন

মোরেলগঞ্জের সেরজন স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ৪৫ বছরেরও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি

মেহেদী হাসান লিপন, মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট)প্রতিনিধি
  • আপডেট: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২০

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার জিউধরা সেরজন স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি দীর্ঘ ৪৫ বছরের দৃশ্যমান কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। ভৌত অবকাঠামো ও আসবাবপত্র সমস্যা, বিজ্ঞানাগার বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নে পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা না থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত। বর্তমানে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী এ বিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করছে। নিশানবাড়িয়া ও জিউধরা ইউনিয়ন সহ মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের শিক্ষার্থী রয়েছে এ প্রতিষ্ঠানে। উপজেলার আন্তঃবিদ্যালয় শীত ও গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়ার ২২ টি জোনের একটি জোন হিসেবে এ বিদ্যালয়ের মাঠটি ব্যবহৃত হচ্ছে।

২০১৯ সালে ১০৯ জন শিক্ষার্থী এস্এসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে। পাশের হার প্রায় শতভাগ। চলতি বছরে এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮৪ জন। ছাত্র-ছাত্রীদের টিনের ছাপড়া দেয়া ক্লাশ রুমে ঠাসাঠাসি করে ক্লাশ করতে হয়। বাউন্ডারী ওয়াল নেই। নামমাত্র শৌচাগার। নেই আইসিটি রুম। বিজ্ঞানাগার বিধ্বস্ত হয়েছে অনেক আগেই। সিডর,আইলা,আম্পান ও বুলবুলে ব্যাপকভাবে ক্ষতি হলে সরকারী তেমন কোন সহযোগীতা মেলেনি। শিক্ষার্থীদের চলাচলের জন্য দুই ইউনিয়নের ৫ কিমি. রাস্তা এখনো কাঁচা।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহাতাব হোসেন মিনা বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে উপজেলা অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভৌত অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন হলেও ঐতিহ্যবাহী এ বিদ্যালয়টি কোন উন্নয়ন হয়নি।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো. ইয়াকুব মৃধা ও ইউপি সদস্য হাকিম মৃধা জানান, ১৯৪৫ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলেও দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন হয়নি। বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে তিনি প্রধানমন্ত্রীর আশু সুদৃষ্টি কামনা করেন।

 

 

 

আপনার মতামত এখানে লিখুন

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরীর আরও সংবাদ
স্বত্বাধিকারী: রুরাল ইনহ্যান্সমেন্ট অর্গানাইজেশন (রিও) এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জনকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের সমাজসেবা থেকে নিবন্ধনকৃত।
Developed BY: AMS IT BD
Translate »